
কোম্পানিগুলো হলো- চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, স্বদেশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, মাত্রাতিরিক্ত কমিশন প্রদান, অত্যাধিক প্রশাসনিক ব্যয়, অন্যান্য অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থা ভালো না। গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া প্রিমিয়ামের টাকার সিংহভাগ তারা ইতোমধ্যেই খরচ করে ফেলেছে। ফলে গ্রাহকের বীমা দাবি সময়মতো পরিশোধ করা এদের অনেকের পক্ষেই দুরহ হবে মর্মে জানা যায়।
এমতাবস্থায় উল্লেখিত ১৩ লাইফ বীমা কোম্পানি সময়মতো গ্রাহকের পাওনা পরিশোধে সক্ষমতার বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়সমূহ পৃথক পৃথকভাবে সরেজমিন তদন্ত পূর্বক এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রম আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে উপসচিব মো. জাহিদ হোসেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হারুন-অর-রশিদ
বার্তা সম্পাদকঃ আশিক সরকার
Copyright © 2026 Bporikromanewsbd.com. All rights reserved.