এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কটিশ পার্লামেন্টের সদস্য ফয়সল চৌধুরী এমবিই,সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লুটন কন্সিলের ডেপুটি মেয়র কাউন্সিলর শাহানারা নাসের এবং ক্রয়ডন
কাউন্সিলের ডি সি মেয়র কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসলাম।
সমাজসেবা,লেখালেখি,গবেষণা ও আলোকচিত্র এই চার ধারার সম্মিলনে শাহ মনসুর আলী নোমান সমাজকে দেখেন গভীর মানবিক দৃষ্টিতে,যা তাঁকে প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তাঁর পিতা ছিলেন একজন সমাজকর্মী,জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষানুরাগী মানুষ। মানবসেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার আদর্শ শৈশবেই তাঁর মানসগঠনে গভীরভাবে প্রোথিত হয়।মনসুর নোমান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে এমজিএস (দ্বিতীয় মাস্টার্স) সম্পন্ন করে মেধাক্রমে ব্যাচে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (এমসি কলেজ,সিলেট) ১৯৯৮ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর (এমএসএস) ডিগ্রি এবং ২০১৬ সালে (মেট্রোপলিটন ল' কলেজ,সিলেট) এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) এর 'পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম' (২০২০- ২১) প্রোগ্রামে অধ্যয়নকালে যুক্তরাজ্যে গমন করেন।বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথে এলএলএম প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত।পেশাগত জীবনে নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নোমান ছাত্রজীবন থেকেই গণমাধ্যমের সাথে সম্পৃক্ত। তাঁর কলাম,প্রতিবেদন ও আলোকচিত্র প্রকাশিত হয়েছে বাংলাবাজার পত্রিকা,আজকের সূর্যোদয়,ইত্তেফাক,লাল সবুজ,মানবজমিন,রূপালী বাংলাদেশ,বাংলাদেশের খবর,প্রথম আলো,ভোরের কাগজ,খবর বাংলাদেশ,দৈনিক কালবেলা (অনলাইন) এবং সিলেট বিভাগ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্রে। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া সম্পাদিত মৃদুভাষণ পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।বিবিসি বাংলার প্রবাহ অনুষ্ঠানের কয়েকটি পর্বে বিভিন্ন বিষয়ের উপর তাঁর ধারণ করা ছবি সম্প্রচারিত হয়েছে।ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত 'Burnley Express' পত্রিকায় তাঁর ধারণকৃত আলোকচিত্র প্রকাশিত হয়েছে।
সমসাময়িক সমাজ, পরিবেশ দূষণ, নদীভাঙন,পাহাড় কাটা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, স্থানীয় রাস্তাঘাটের সমস্যা, যোগাযোগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও মানবাধিকার এই বিষয়গুলো তাঁর লেখার প্রধান উপজীব্য। তাঁর একাধিক প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাস্তব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে, যা একজন লেখকের সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 'ভোরের কাগজ' ও 'এই সময়' পত্রিকা কর্তৃক পুরস্কৃত ও অভিনন্দিত হন। তিনি যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সিলেট ইউনিট;কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, সিলেট এবং বাংলাদেশ ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশন (এফপিএবি), সিলেট ইউনিট এর আজীবন সদস্য।এফপিএবি সিলেট শাখার ২০১৮–২০২১ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হল (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) প্রাক্তন ছাত্র সমিতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর আজীবন সদস্য।মানবিক সহায়তার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে তিনি সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্যা প্যারালাইজড (CRP),বাংলাদেশ এর সিলভার মেম্বার হিসেবে সম্মানিত হন।সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে উদার দিগন্ত সাহিত্য সংসদ ও পাঠাগার (কুলাউড়া, মৌলভীবাজার) কর্তৃক তিনি ‘রেডিয়েন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এ ভূষিত হন। জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব শান্তি দিবস (২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬) উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি সম্মাননা লাভ করেন।