প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ২, ২০২৬, ৪:৩৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ২, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
যাত্রাবাড়ী-শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজ এখন মরণফাঁদ: দনিয়া কলেজ ও বর্ণমালার শিক্ষার্থীসহ লাখো মানুষের চরম ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক,
রাজধানীর ব্যস্ততম যাত্রাবাড়ী-শনির আখড়া এলাকার ফুটওভার ব্রিজটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্রিজের বিভিন্ন অংশের লোহার জয়েন্ট ও সংযোগস্থলের ওয়েল্ডিং ভেঙে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটির এমন জরাজীর্ণ ও বিপজ্জনক অবস্থায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।সরেজমিনে দেখা গেছে,

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এই ফুটওভার ব্রিজটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অন্যতম ব্যস্ততম অংশে অবস্থিত। এর ঠিক পাশেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী দনিয়া কলেজ এবং বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ লাখো মানুষ এই ব্রিজ দিয়ে পারাপার হন। তীব্র গতিতে যানবাহন চলাচলের এই ব্যস্ত সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজটি সাধারণ মানুষের জন্য একমাত্র ভরসা।
কিন্তু দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্রিজটির কাঠামোগত নিরাপত্তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। লোহার গুরুত্বপূর্ণ জয়েন্টগুলো নড়বড়ে হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গার ঝালাই (ওয়েল্ডিং) সম্পূর্ণ খুলে গেছে। ফলে মানুষ যখন এর ওপর দিয়ে হাঁটে, তখন পুরো ব্রিজটি বিপজ্জনকভাবে কাঁপতে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, "ব্রিজটির অবস্থা দিন দিন আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্রতিদিন ছোট-বড় সবাই, বিশেষ করে দনিয়া কলেজ ও বর্ণমালা স্কুলের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়েই পারাপার হচ্ছে। এত ব্যস্ত একটি সড়কের ব্রিজের এই দশা সত্যিই নিন্দনীয়। এটি দ্রুত মেরামত করা না হলে যেকোনো সময় বড় কোনো বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।"
ব্যস্ত এই এলাকার হাজার হাজার ভুক্তভোগী মানুষ অবিলম্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। অতি দ্রুত প্রকৌশলীদের মাধ্যমে ব্রিজের সম্পূর্ণ কাঠামোগত নিরাপত্তা পরীক্ষা করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ হারুন-অর-রশিদ
বার্তা সম্পাদকঃ আশিক সরকার
Copyright © 2026 Bporikromanewsbd.com. All rights reserved.