প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণাঢ্য নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রাইম ইউনিভার্সিটির ‘সামার সেমিস্টার-২০২৫ এবং স্প্রিং সেমিস্টার-২০২৬’-এর নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ করে নিতে সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) এক উৎসবমুখর নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী দীন মোহাম্মদ খসরুর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আনোয়ার কামাল পাশা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মো. আশরাফ আলী, মীর সাহাবুদ্দীন, মাহমুদ বিল্লাহ আদনান চৌধুরী, মো. মামুন সোবহান ও ফিরোজ মাহমুদ হোসাইন। স্বাগত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. আবদুর রহমান নবাগতদের অভিনন্দন জানান। এছাড়াও কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বোর্ড সেক্রেটারি এবং সকল বিভাগের প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ এই আয়োজনে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে নবাগত ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতা ও নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে প্রাইম ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এমদাদুল হানিফ এমদাদ তাঁর সফলতার পথচলার গল্প শুনিয়ে নবীনদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। পাশাপাশি প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কে.এইচ হাসানুজ্জামান এবং বাংলালিংকের কর্পোরেট গ্রুপ ম্যানেজার নির্মল কুমার দে শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জ্ঞাপন করেন। প্রধান অতিথির ভাষণে আনোয়ার কামাল পাশা শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন যে, সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারের মাধ্যমেই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্য নাগরিক হওয়া সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী দীন মোহাম্মদ খসরু শিক্ষার্থীদের দক্ষ নাগরিক হওয়ার পরামর্শ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে উপস্থিত সবার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।




ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ কনসালস (এফআইসিএসি)-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ কনসালস (এফআইসিএসি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ে যৌথভাবে কাজ করবে প্রতিষ্ঠান দুটি।

সম্প্রতি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে এই চুক্তি কার্যকর হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ কনসালস (এফআইসিএসি) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কনসালদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। সংস্থাটি সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে সংযোগ স্থাপন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে।

এই সমঝোতার আওতায় ভবিষ্যতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও এফআইসিএসি বৈজ্ঞানিক ও অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে। এর মধ্যে শিক্ষক ও প্রতিনিধিদের পারস্পরিক ভিজিট, যৌথ সেমিনার, ওয়ার্কশপ, সম্মেলনসহ বিভিন্ন একাডেমিক আয়োজন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অধ্যয়ন বিষয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় তথ্য বিনিময় করবে উভয় প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে এফআইসিএসি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পোস্টগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম পরিচিত করতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি তাদের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের সামনে এফআইসিএসি-এর বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জন তুলে ধরবে। এই চুক্তি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈজ্ঞানিক উদ্যোগ বিকাশেও সহায়ক হবে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।

এফআইসিএসি-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট অনারেবল নিকোলাওস কে. মারগারোপোলস, প্রেসিডেন্ট এমেরিটাস অনারেবল আইকুত একেন এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট অনারেবল আসিফ এ. চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সদস্য ও সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস-এর অনারারি কনসাল অনারেবল ফাতমা গনুল ওরে-একেন।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রাম, গবেষণা কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা তুলে ধরেন রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বক্তব্য দেন ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর সঙ্গে নেতৃত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ফারহাত আনোয়ার।

অনুষ্ঠান শেষে প্রফেসর ফারহাত আনোয়ার এফআইসিএসি প্রতিনিধিদলকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নতুন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস ঘুরিয়ে দেখান। এফআইসিএসি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস ও শিক্ষার পরিবেশের প্রশংসা করেন।




ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের যুগে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে সংলাপ

ঢাকা, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) আজ ‘ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের যুগে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গণমাধ্যম, একাডেমিয়া, সাংবাদিকতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে অধ্যাপক বুলবুল সিদ্দিকী বলেন, আমরা এমন এক সময়ে বসবাস করছি, যেখানে তথ্যের প্রাচুর্য থাকলেও সত্যের সংকট দিন দিন গভীরতর হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং দ্রুতগতির সংবাদ পরিবেশে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন শুধু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে না, বরং গণমাধ্যমের ওপর জনগণের আস্থা দুর্বল করছে, সামাজিক বিভাজন বাড়াচ্ছে এবং সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

ড. এস এম রেজওয়ান উল আলম একাডেমিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকার ও জনগণের মধ্যে বিশ্বাস পুনর্গঠনের জন্য মিডিয়া লিটারেসি জোরদার করা জরুরি। তিনি এ ক্ষেত্রে সরকার, জনগণ ও সিভিল সোসাইটির সম্মিলিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুল হক বলেন, ভুল ও অপতথ্যের বিস্তার রোধে সত্য অনুসন্ধানের প্রতি আমাদের আরও মনোযোগী হতে হবে। তিনি ডিজিটাল লিটারেসি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভুল তথ্য শনাক্তকরণে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

সাংবাদিক ও বিশ্লেষক শাহেদ আলম বলেন, সাংবাদিকতা ও অ্যাক্টিভিজমের ক্ষেত্রে নৈতিক সাংবাদিকতার ভিত্তিকে অ্যাক্টিভিজমে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। তথ্য ও ছবির সত্যতা যাচাইসহ কার্যকর ফ্যাক্ট-চেকিং পদ্ধতি শক্তিশালী করার মাধ্যমে ভুল তথ্য মোকাবিলা করা সম্ভব বলে তিনি মত দেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জোবায়ের বাবু বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যমের অপব্যবহার করে একটি মহল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে, যার ফলে মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তিনি ফুটেজ, ভিডিও ও অডিও টেম্পারিং এবং এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিং সেবা সম্প্রসারণের আহ্বান জানান এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, সত্য ও মিথ্যার সংমিশ্রণে তথ্য প্রচার সমাজের জন্য একটি গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। তিনি এ সংকট মোকাবিলায় দক্ষ ও দায়িত্বশীল পেশাজীবী তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।







হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর নিজস্ব ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের মোট ১ হাজার ৭৫৪ জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে কৃতিত্বপূর্ণ শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে স্বর্ণপদক ও সম্মাননা দেয়া হয়।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এফ এম খালিদ হোসেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ. কে. আজাদ খান ও ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। সমাবর্তনে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মো. মনজারুল আলম।

প্রথম সমাবর্তন উপলক্ষে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পেশাগত নেতৃত্বে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ফাউন্ডার’স গোল্ড মেডেল’ ও ‘ইন্ডাস্ট্রি ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড প্রফেশনাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন।




প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা

শিক্ষার্থীদের মহাবিশ্বের রহস্য ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘এক্সপ্লোরিং দ্য কসমস: অ্যাস্ট্রো টক অ্যান্ড স্টার অবজারভেশন’ শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে তৈরি করা এবং মহাকাশ সম্পর্কে তাদের কৌতূহল বাড়ানো।

অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম পর্বে বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে শুরু হয় আকাশ পর্যবেক্ষণ। এ সময় শিক্ষার্থীরা শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ, গ্রহ ও দূরের নক্ষত্র দেখার সুযোগ পান।

আয়োজনের মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসেম এম মোহাম্মেদি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কুতুব উদ্দিন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির। সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি মৌলিক বিজ্ঞান ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া জ্যোতির্বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে ‘অ্যাস্ট্রো স্কুল’ প্রকল্পের মাধ্যমে এনওসি-বিডি টিমের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আনোয়ারুল কবির বলেন, পাঠ্যবইয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিনির্ভর চিন্তা গড়ে তোলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম খান জানান, জ্যোতির্বিজ্ঞান বিজ্ঞান ও দর্শনের মিলনস্থল, যা শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তুলবে। অধ্যাপক ফারসিম মান্নান মোহাম্মদি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মানুষের চিরন্তন কৌতূহল থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্ম হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি যৌথভাবে সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল ও অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স। এ কাজে সহযোগিতা করে এনওসি-বিডি ও আইএইউ-ওএও। এছাড়া আকাশ পর্যবেক্ষণে সহায়তা করেছে মাইকবি সায়েন্টিফিক।




৫০তম বিসিএসের ফল ১০ জানুয়ারির মধ্যে: পিএসসি চেয়ারম্যান

৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি)। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এখন পরীক্ষার ওএমআর শিট যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই এ বিসিএসের প্রিলির ফল প্রকাশ করা হবে।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ তথ্য জানান সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম।

পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আশা করছি আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে এ বিসিএসের ফল প্রকাশ করতে পারব।’

৫০তম বিসিএসে আবেদন জমা পড়েছিল ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫১টি, যা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কম। এ বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট ২ হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ছাড়া প্রশাসনে ২০০ জন ও পুলিশে ১১৭ জন নিয়োগ পাবেন। নন-ক্যাডারের ৩৯৫টি পদের মধ্যে নবম গ্রেডে রয়েছে ৭১টি পদ।




ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনের ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির টিম প্রধান হলেন মো: শহীদুল ইসলাম মোল্লা

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম চাঁদপুর-২(মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইশরাক হোসেন ও সদস্য সচিব এডভোকেট কে. এম. কামরুজ্জামান নান্নুর নির্দেশনায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এ অনুমোদন প্রদান করেন।
মোঃ শহীদুল ইসলাম মোল্লাকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর–দক্ষিণ) আসনের টিম প্রধান করে এডভোকেট শরীফ মিজি, আলেয়া বেগম, সোহেল মাঝি, মোঃ কাউছার হামিদ, এইচ এম শামীম, মোঃ জমির হোসেন, মোঃ রাজিব মিয়া, মোঃ হুমায়ুন, মোঃ নুরুল ইসলাম প্রমূখকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ধানের শীষের পক্ষে সুস্থ ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে উক্ত কমিটি কাজ করতে অঙ্গিকারবদ্ধ।




অর্থবহ জীবন গঠনের বার্তায় ড্যাফোডিলের ১৩তম সমাবর্তন, ডিগ্রি পেলেন ৪০২০ শিক্ষার্থী

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৪ হাজার ২০ জন শিক্ষার্থী সমাবর্তন গ্রহণ করেন। এছাড়াও কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জনকারী পাঁচ স্নাতককে দেয়া হয় চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল, চার স্নাতককে দেয়া হয় চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল এবং তিন জন স্নাতককে দেয়া হয় ভাইস-চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল। মোট গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ৩ হাজার ৩৯১ জন স্নাতক এবং ৬২৯ জন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।  

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও সনদ প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং ব্র্যাক এর চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রেরিত এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এই সমাবর্তন কেবল একটি ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং তোমাদের জীবনের এক নতুন এবং অর্থবহ অধ্যায়ের সূচনা। বিশ্ব আজ এক গভীর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে আমরা একটি থ্রি জিরো ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষা করছি অর্থাৎ শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীভূতকরণ এবং শূন্য বেকারত্ব। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির মতো একটি উদ্যোক্তা বান্ধব প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করে তোমরা আজ এমন এক অবস্থানে আছো যেখান থেকে এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব। তোমাদের অর্জিত জ্ঞান কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যে নয়, বরং একটি বৈষম্যহীন ও পরিবেশবান্ধব নতুন পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ বলেন, শিক্ষার্থীরা আজ এমন এক পৃথিবীতে পা রাখছে যা রোমাঞ্চকর, দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং উদ্ভাবনী সম্ভাবনায় ভরপুর। শিক্ষা ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি যে অনন্য উচ্চতা স্পর্শ করেছে, তা জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মনে রাখবে, ডিগ্রির চেয়ে বড় হলো বিবেক। একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে তোমাদের ভালো-মন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি সূক্ষ্ম ও দৃঢ় হওয়া উচিত। সেই নৈতিক শক্তি নিয়ে তোমরা দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করবে।

সমাবর্তন বক্তা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। আগে আমরা সীমিত সম্পদ নিয়ে কীভাবে টিকে থাকা যায় আর সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেই কথাই বলতাম। আজ আমাদের অর্থনীতি মজবুত হয়েছে, কিন্তু শুধু বেশি পরিমাণে পণ্য তৈরি করলেই চলবে না—গুণগত মান বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি। আমরা যেন মধ্য-আয়ের ফাঁদে আটকে না যাই, সেজন্য আমাদের উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে হবে, জ্ঞানভিত্তিক কাজে এগোতে হবে এবং নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে। তোমাদের এই তরুণ প্রজন্মকেই এখন এমনভাবে গড়ে উঠতে হবে, যেন তোমরা শুধু কারও নির্দেশ পালনই নয়, বরং নিজেরাই নতুন সমস্যার সমাধান বের করতে পারো।

শিক্ষা ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি যে অনন্য উচ্চতা স্পর্শ করেছে, তা জাতীয় অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মনে রাখবে, ডিগ্রির চেয়ে বড় হলো বিবেক। একজন শিক্ষিত মানুষ হিসেবে তোমাদের ভালো-মন্দের পার্থক্য করার ক্ষমতা সাধারণের চেয়ে অনেক বেশি সূক্ষ্ম ও দৃঢ় হওয়া উচিত। সেই নৈতিক শক্তি নিয়ে তোমরা দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করবে।-ইউজিসি চেয়ারম্যান

তিনি আরও বলেন, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের যে জোরেশোরে কাজ চলছে, তা দেখে আমি খুবই আশাবাদী। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাদান এবং গবেষণার মধ্যে একটা ফাঁক থেকে যায়, কিন্তু ড্যাফোডিলে বাস্তব সমস্যা নিয়ে কাজ করা হয়—যেমন জলবায়ু সহনশীল কৃষি, সবার জন্য ব্যাংকিং সুবিধা (ফিনটেক), এবং টেকসই শহর পরিকল্পনা। এগুলো শুধু গবেষণাপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে না, বরং দেশের জন্য এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ তৈরি করে, যা আমাদের অর্থনীতিকে বিশ্বের অনিশ্চিত পরিস্থিতিতেও শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করবে।

আজকের দিনটি শুধু একটি সনদ গ্রহণের দিন নয়। এটি জীবনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার দিন। আজ থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আর শুধু শিক্ষার্থী নয়—তারা সমাজের অংশীদার এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা।-ডিআইইউ চেয়ারম্যান

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন, আজকের দিনটি শুধু একটি সনদ গ্রহণের দিন নয়। এটি জীবনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার দিন। আজ থেকে গ্র্যাজুয়েটরা আর শুধু শিক্ষার্থী নয়—তারা সমাজের অংশীদার এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। একই সঙ্গে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কখনোই তার গ্র্যাজুয়েটদের শুধু চাকরি প্রার্থী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়নি। আমরা চাকরি দাতা হিসাব এ তৈরি করেছি। আজ আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি কোনো অবকাঠামো নয়, আমাদের  গ্র্যাজুয়েটরা।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, এই সমাবর্তন তোমাদের পড়ালেখার একটি অধ্যায়ের শেষ, কিন্তু বাস্তব জীবনের শুরু। ড্যাফোডিলে তোমরা যে শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করেছো, তা তোমাদেরকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে। আমাদের এমপ্লয়াবিলিটি ৩৬০ ফ্রেমওয়ার্ক ও স্মার্ট সিটি ক্যাম্পাস তোমাদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা ও বৈশ্বিক মনোভাব গড়ে তুলেছে। আজ থেকে তোমরা শুধু স্নাতক নও, তোমরা ড্যাফোডিলের প্রতিনিধি। আজকের পর থেকে শুধু নিজের পরিবার ও সমাজে নয়, বরং দেশের পাশাপাশি বিশ্বময় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এগিয়ে যাও।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমাবর্তনের ভ্যালিডিক্টোরিয়ান হিসেবে মোছা. স্বপ্নীল আক্তার নূ তার বক্তব্যে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আমি গর্ববোধ করছি। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এই যাত্রা আমার কল্পনাকেও ছাড়িয়ে আমাকে গড়ে তুলেছে। জীবনের পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সময় মনে রেখো: সাহসের সাথে স্বপ্ন দেখবে, সততার সাথে কাজ করবে। যদি পরেও যাও, তবুও সাহসের সাথে ঘুরে দাঁড়াবে। ভবিষ্যৎ তাদেরই যারা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখে, এমনকি যখন পথ অস্পষ্ট থাকে।

স্বর্ণপদক প্রাপ্তদের মধ্যে চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল পান মোছা. স্বপ্নীল আক্তার নূ, মোছা. জাকিয়া আক্তার, সৌরভ গারদিয়া ,আরিফুল রহমান, মুনতাসির সরকার। চেয়ারম্যান গোল্ড মেডেল পান আনজির রহমান খান, মো. তুহিন ইসলাম, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. আবু বকর সিদ্দিক এবং ভাইস-চ্যান্সেলর্স গোল্ড মেডেল পান শাহরিয়ার শহীদ, বায়েজিদ চৌধুরী, হালিমা আক্তার।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিবেশন করে। জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ এক মনোজ্ঞ সঙ্গীতানুষ্ঠান মধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তে আনন্দঘন করে তোলে।




নিম্নমুখী আর্থিক অবস্থা নিয়েই গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স পেল আইডিআরএ ইন্স্যুরেন্স এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং সুইট গ্রুপের মধ্যে গ্রুপ বীমা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) আস্থা লাইফের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

আস্থা লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি (অবসরপ্রাপ্ত) এবং সুইট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মনজুরুল হুদা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে সুইট গ্রুপের আওতাধীন তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে সুইট এগ্রোভেট লিমিটেড, লার্ক ইন্টারন্যাশনাল ও সুইট আইটেক লিমিটেডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ আস্থা লাইফের গ্রুপ বীমার আওতায় জীবন বীমা কভারেজ পাবেন।

উল্লেখ্য, আস্থা লাইফ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একমাত্র জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। আস্থা লাইফের চেয়ারম্যান ও সেনাবাহিনী প্রধানের দক্ষ নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষা, স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা ও গ্রাহক সেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচুমানের দৃষ্টান্ত স্থাপনপূর্বক জীবন বীমার প্রতি সাধারণ মানুষের নির্ভরযোগ্যতা ও বিশ্বাস ফেরাতে ‘নতুন ধারার বীমা’ সেবার অঙ্গীকার নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।