Home খেলাধূলা ২০০ ওয়ানডের মাইলফলকের সামনে মাশরাফি

২০০ ওয়ানডের মাইলফলকের সামনে মাশরাফি

SHARE

প্রথম কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ ওয়ানডের মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। রোববার (৯ ডিসেম্বর) ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে তিনি ছুঁবেন ২০০ ওয়ানডে খেলার মাইলফলক।

অবশ্য বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ২০০ ওয়ানডের মাইলফলক ছুঁতে অপেক্ষা করতে হবে এই সিরিজের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। কারণ, মাশরাফি ২০০৭ সালে আফ্রো-এশিয়া কাপে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। সে কারণে তার ক্যারিয়ারের মোট ওয়ানডে ১৯৯টি। আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে তার মোট ওয়ানডে ১৯৭টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের সবকটি খেলতে পারলে লাল-সবুজের জার্সি গায়েও তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন ২০০ ওয়ানডে খেলার মাইলফলক।

২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে অভিষেক হয়েছিল মাশরাফির। এরপর নানান চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে গেল ১৭ বছর ধরে খেলে যাচ্ছেন। ১৭ বছরে তিনি এ পর্যন্ত ওয়ানডে খেলেছেন ১৯৯টি। উইকেট নিয়েছেন ২৫২টি। আর ব্যাট হাতে রান করেছেন ১৭২২টি। সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ৫১।

অবশ্য ২০০ ওয়ানডে খেলার দ্বারপ্রান্তে থাকলেও এই রোমাঞ্চ তাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে না। শনিবার তিনি বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি এগুলো আমাকে ছুঁয়ে যায় না। এগুলো আমার কাছে এতোটা গুরুত্বপূর্ণও না। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কালকের ম্যাচটা জেতা। এইদিক থেকে ভালো লাগছে যে, বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে অন্তত ২০০তম ম্যাচ হচ্ছে। এটা অবশ্যই ভালো লাগবে একটা সময়। যখন মানুষ বলবে, তুমি বাংলাদেশের হয়ে ২০০টা ম্যাচ খেলেছো। এটা অবশ্যই একটা অর্জন। ওই জায়গা থেকে অবশ্যই ভালো লাগবে। কিন্তু কালকের ম্যাচের উপরে আর কিছুর গুরুত্ব একেবারেই নাই। এটা চিন্তা করে খেলার সুযোগ নেই। কালকের ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদেরকে জিততে হবে এটাই।’

মাশরাফির পর বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯৫ ওয়ানডে খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। তৃতীয় স্থানে আছেন সাকিব আল হাসান। তিনি খেলেছেন ১৯২ ওয়ানডে। চতুর্থ স্থানে থাকা তামিম ইকবাল খেলেছেন ১৮৩ ওয়ানডে। আর পঞ্চম স্থানে থাকা মোহাম্মদ আশরাফুল খেলেছেন ১৭৭ ওয়ানডে।