Home ব্রেকিং অর্ধশতাধিক আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নেই: ড. কামাল

অর্ধশতাধিক আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নেই: ড. কামাল


বিশ্ববিদ্যায়ল পরিক্রমা প্রতিবেদক : জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দাবি করেছে, নানা জাটিলতায় অর্ধশতাধিক আসনে তাদের প্রার্থী নেই।

শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পল্টনে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়। এসময় ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির জন্য অবিলম্বে পুলিশি হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী সভায় সব বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই কমিশন, পুলিশ ও সরকারি দলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা বলে আসছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ভোটের মাত্র ৮ দিন আগে এসে ঐক্যফ্রন্ট জানালো, নানা কারণে অর্ধশতাধিক আসনে তাদের প্রার্থী নেই। এর মধ্যে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩টি আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের প্রার্থীতা বাতিল ও ১১ জনের প্রার্থীতা স্থগিত হয়েছে। কারাগারে আছেন ১৬ জন প্রার্থী।

ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিলে সংবিধান লঙ্ঘণের দায়ে দোষী হবে সরকার।

২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা শহরের সব আসনে জনসভা ও গণমিছিল এবং ২৭ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে জনসভা করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় এই সংবাদ সম্মেলনে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন বলেন, জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না দিলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। অবাধ গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু ভোট না হলে মহাসংকটে পড়বে দেশ। এখনও সামনে সাত দিন সময় আছে। এর মধ্যে বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, হয়রানি বন্ধ করে, প্রচারণার সমান সুযোগ দিয়ে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন। অন্যথায় ভাঁওতাবাজির নির্বাচন করলে, তা কেউ মেনে নেবে না।

আদালত কর্তৃক ঘোষিত ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শূন্য আসনগুলোতে পুনঃতফসিল ঘোষণারও দাবি জানানো হয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার ঘোষণা দেয়া হয়। এ ছাড়া ২১-২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকার ১৮টি আসনে জনসভা ও গণমিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন ঐক্যফ্রন্টের এ শীর্ষ নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন বলেন, জনগণকে ভোট দিতে না দেয়াটা হবে দেশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এই আঘাত কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। এ কাজের জন্য সংবিধান লঙ্ঘনের মতো চরম অপরাধের জন্য দায়ী হবে এ সরকার।

বর্তমান সরকার তাদের কার্যকলাপে অতীতের সব স্বৈরাচারকে ছাড়িয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কলারোয়া ও ইটনা থানার ওসিসহ নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।