Home আইন/আদালত ময়মনসিংহে নারীসহ গ্রেফতার ৪ জঙ্গির নামে মামলা

ময়মনসিংহে নারীসহ গ্রেফতার ৪ জঙ্গির নামে মামলা

SHARE

বিশ্ববিদ্যায়ল পরিক্রমা ডেস্ক : ময়মনসিংহে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব-১৪ এর সদর দফতর এবং র‍্যাবের ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানীর সদস্যদের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক নারীসহ ৪ সদস্যের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে । র‍্যাবের ডিএডি আশফাকুর রহমান বাদি হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এই মামলা দায়ের করেছেন।

আটককৃত জেএমবির সদস্যরা হলেন, সিয়াম আল মাহমুদ (১৯) নাসরিন আক্তার যোযাইরা (২১) শাহীন ইসলাম ওয়ফে মাহবুব ইসলাম এবং মো. শাখাওয়াৎ করিম।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি ) দুপুর ১২ টার দিকে র‍্যাব-১৪ এর ময়মনসিংহ সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক সন্মেলনে এই তথ্য জানান অধিনায়ক লে. ক. ইফতেখার উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘বুধবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩ টা ৪০ এ গ্রেফতারকৃতরা জঙ্গিরা ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমিউটার ট্রেনে ওঠে। পরে রাত সোয়া ৮ টার দিকে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউনিয়নের বিদ্যাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাদের ৪ জনকে আটক করে র‍্যাব-১৪ এর যৌথ টিম।’

তিনি আরও জানান, র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায় চুয়াডাঙ্গার শাহীন ইসলাম দশম শ্রেণীর পর লেখাপড়া বন্ধ করে বাবার সাথে কৃষিকাজে যোগ দেন। ‘ভাবুক মানুষ ভাবুক’ ফেসবুক আইডির মাধ্যমে সে জেএমবি কর্মকান্ডে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিজরতের জন্য অনুপ্রাণিত হয়। ময়মনসিংহের চকছত্ররপুর গ্রামের সিয়াম আল মাহমুদ ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র। ইউটিউবে “দাজ্জাল ও গাজাতুল হিন্দ” সম্পর্কে জানাশোনা করে। সিয়ামের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ হয় নাসরিন আক্তার যোযাইরা’র। একইভাবে সাখাওয়াৎ করিমের সাথে নিজেরা একটি গ্রুপ খুলে যোগাযোগ রক্ষা করতেন ।

এসময় র‍্যাব-১৪ পরিচালক আরও বলেন, ‘জঙ্গিদের উদ্যেশ্য ছিল জিহাদি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিদেশে গিয়ে ট্রেনিং গ্রহন করবে। বিদেশে হিজরত করবেন। যোগাযোগের জন্য তারা ফেসবুক, টেলিগ্রাম ও থ্রিমার মাধ্যম ব্যবহার করতো। সে লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকা- জামালপুর কমিউটার ট্রেনে যাত্রা শুরু করেন তারা ৪ জন। পরে রাত ৮ টা ১৫ মিনিটের সময় সদর উপজেলার বিদ্যাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে তাদের আটক করে র‍্যাবের সদস্যরা।’

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সিয়ামের মা আঞ্জুমানারা বেগম র‍্যাব -১৪ এর সদর দপ্তরে এসে তার ছেলে তিন মাস ধরে নিখোঁজ হয়েছেন বলে অবগত করেন। গ্রেফতারদের থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।