Home জাতীয় জনগণ ভালো থাকলে কিছু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

জনগণ ভালো থাকলে কিছু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

11
0
SHARE

বিশ্ববিদ্যায়ল পরিক্রমা ডেস্ক :

দেশের সন্তান রাষ্ট্র পরিচালনা করুক, এটা অনেকেরই পছন্দ হয় না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যখন একটু ভালো থাকে, তখন আমাদের দেশের কিছু মানুষ মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

শুক্রবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যখন কোনো মার্শাল ল’ হয়, যখন কোনো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন ওই গোষ্ঠীটা খুব তৃপ্তির সঙ্গে থাকে। তখন আবার তাদের মূল্য বেড়ে যায়। কারণ জনগণের মূল্য তাদের কাছে কিছু না।

তিনি বলেন, তারা নিজেরা ক্ষমতায় যেতে পারলে বা ক্ষমতার একটু বাতাস পেলে, সেই বাতাসটুকুর আশায় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে সবসময় ছিনিমিনি খেলার ব্যস্ত থাকে।

মাতৃভাষার জন্য রক্ত দেওয়া জাতি বিশ্বের মধ্যে কেবল বাঙালিই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে এই বাংলা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমাদের সব থেকে গৌরবের, ভাষার জন্য রক্ত দেওয়া। সেই মাতৃভাষার ওপর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ একটি ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জাতিকে নিঃশেষ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫ এর পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, এমনকি এ জাতির অস্তিত্বেই বিশ্বাস করতো না। সেজন্য তারা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন কোনো উন্নতি-অগ্রযাত্রা হয়নি এদেশের। আর যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারলো, তখনই দেশ ও জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন হয়েছে। সেজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই জনগণের প্রতি।

তবে ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে যে অত্যাচার-হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে, তা একাত্তর সালের হানাদারদের মতো বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকানোর নামে তাদের সে তাণ্ডব, জঙ্গিবাদী আচরণ, আগুন দিয়ে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা- সেই ভয়াবহ স্মৃতি সবার মনে আছে। তাদের জনগণ ভোট দেবে কেন? ৫০০ এর মতো মানুষ মারা গেছে। যারা মানুষ পুড়িয়েছে, তাদের জনগণ ভোট দেয়নি। যারা নির্বাচনের মনোনয়ন নিলামে উঠিয়েছে, একটি দেশের হাইকমিশন থেকে মনোনয়ন নিতে হয়েছে যাদের, তাদের জনগণ ভোট দেয়নি। সব থেকে বড় কথা হলো, তারা যুদ্ধাপরাধীদের মনোনয়ন দিয়েছে। এদেশের মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দেবে না, দেয়নি।

image_pdfimage_print