Home ব্রেকিং ত্বক ও স্বাস্থ্য রক্ষায় তরমুজ

ত্বক ও স্বাস্থ্য রক্ষায় তরমুজ

SHARE

বিশ্ববিদ্যায়ল পরিক্রমা ডেস্ক : চলে এসেছে তরমুজের মৌসুম। গরমে সুস্বাদু এই ফলটি সবার প্রিয়। ক্লান্তিতে কয়েক টুকরো রসালো তরমুজ এনে দেয় অসাধারণ প্রশান্তি। এই মজাদার তরমুজের রয়েছে অনেক উপকারিতা। তরমুজে আছে প্রচুর ভিটামিন এ ও সি সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর উপাদান। এই সব উপাদান মানুষের শরীর ও ত্বক দুইটির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ যা শরীরের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। আর তাই গরমে তরমুজ খেলে ত্বক হবে আরো উজ্জ্বল ও কমবে মেছতার দাগ।

রোদে-পোড়া ভাব

তরমুজের রসকে বরফ করে সেটা ত্বকে ঘষতে পারেন। তরমুজের রসে তুলা ভিজিয়ে রোদে পোড়া জায়গায় দিয়ে ১০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে উঠিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া পাতলা টাওয়েল বা রুমাল তরমুজের রসে ভিজিয়ে মুখের উপর দিয়ে ১৫ মিঃ রেখে তারপর মুখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তরমুজের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে রোদে-পোড়া ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

হার্ট-এর যত্নে

বিজ্ঞানীদের মতে, তরমুজে রয়েছে একটি বিশেষ উপাদান যা হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও, তরমুজে ভিটামিন এ-এর পাশাপাশি ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও কেরোটিন রয়েছে যা দেহের কোলেস্টেরল কমায়।

চোখের যত্নে

তরমুজে আছে অধিক পরিমানে ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের চোখের রেটিনার জন্য ভাল। এছাড়া এই উপাদানগুলো চোখের ছানি পড়তে বাধা সৃষ্টি করে।

কিডনির যত্নে

তরমুজে পানীয় উপাদান থাকে বেশি যা কিডনির উপর চাপ কমিয়ে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়। তরমুজ কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে। কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমাতে খাদ্য তালিকায় তরমুজ রাখলে কিছুটা উপকার পাবেন।

হাড়ের যত্নে

তরমুজে আছে লাইকোপিন নামে এক ধরনের লাল উপাদান যাতে আছে অধিক পরিমানে ক্যালসিয়াম। মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড় দিন দিন দুর্বল হতে থাকে আর তাই তরমুজ নিয়মিত খেলে তা হাড় সুস্থ ও মজবুত থাকে।

শরীরের ব্যথা

অনেকে বাত বা মাংসপেশির ব্যথায় ভোগেন তারা প্রতিবার ব্যায়ামের পর অথবা ব্যায়াম করার কমপক্ষে আধা ঘন্টা বা এক ঘন্টা আগে তরমুজ খেলে এই ব্যথা অনেকাংশে কমবে।

হাঁপানি প্রতিকার

নিয়মিত তরমুজ খেলে হাঁপানি অসুখ কমে। এছাড়া যাদের প্রচুর ঠাণ্ডা লাগে তারা নিয়মিত তরমুজ খেলে অ্যালার্জি কমে। কারণ তরমুজে আছে প্রচুর ভিটামিন সি যা অ্যালার্জি বা হাঁপানি কমিয়ে তুলতে অনেক কার্যকর।