Home ব্রেকিং মতলব উত্তরে সোলেমান লেংটার ১০১তম ওরস শুরু সিকি কোটি ভক্ত আশেকান ও...

মতলব উত্তরে সোলেমান লেংটার ১০১তম ওরস শুরু সিকি কোটি ভক্ত আশেকান ও দর্শণার্থীর সমাগমের সম্ভাবনা

SHARE

শামসুজ্জামান ডলার ঃ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বদরপুর (বেলতলী) গ্রামে ঐতিহ্যবাহী শাহ্ সূফী সোলেমান লেংটার মাজারে রোববার থেকে শুরু হয়। ৭ দিন এ ওরশ ও মেলা চলবে। শনিবার মিলাদ ও দোয়া মধ্য দিয়ে ওরশের উদ্বোধন করা হয়েছে। ওরশকে কেন্দ্র করে দেশ বিদেশের প্রায় ২৫ লক্ষ ভক্ত আশেকান ও দর্শণার্থী মেলায় আসা যাওয়া করবে বলে আয়োজকরা জানান।
সোলেমান লেংটা উপমহাদেশের একজন খ্যাতিমান আউলিয়ার দাবিদার। বাংলা ১২৩০ সালে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিনাদপুর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে শাহ্ সূফী সোলেমান লেংটা জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আলা বঙ্গ ভূঁইয়া। জীবনের অধিকাংশ সময়ই কাটিয়েছেন মতলবের বিভিন্ন অঞ্চলে। সোলেমান লেংটা কখনো পোশাক পরতেন না। তাই তার মাজারটি লেংটার মাজার হিসেবেই পরিচিত।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, অতীতে কী হয়েছে, তা নিয়ে ভাবার সময় নেই। এখনকার বিষয় হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। ইতোমধ্যে মেলা প্রাঙ্গণ শতাধিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মাজারের খাদেম মতিউর রহমান লাল মিয়া বলেন, শাহ্ সূফি সোলেমান লেংটার ওফাত দিবস উপলক্ষ্যে ১০১তম ওরস শরীফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওরসে দেশ-বিদেশ থেকে ভক্ত-আশেকান মাজার এলাকায় উপস্থিত হচ্ছে। ওরস শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে মাজার কমিটির পক্ষ থেকে।
মতলব উত্তর উপজেলার বদরপুর (বেলতলী) গ্রামে ঐতিহ্যবাহী শাহ্ সূফি সোলেমান লেংটার মাজারে শনিবার বিকেলে ওরস এলাকা পরিদর্শন করেন- চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, সোলেমান লেংটার ওরসে কোন প্রকার ইসলাম বিরোধী ও অশ্লীলতা বরদাস্ত করা হবে না। ওরস প্রাঙ্গনে মাদক, নেশা, জুয়া, পুতুল নাচ ও লটারী’সহ কোন প্রকার অশ্লীলতা করা যাবে না। সড়কে পরিবহনে চাঁদাবজি করা যাবে না। নৌপথে নিরাপদে যাত্রীরা চলাচল করবে। যেখানে অন্যায় অত্যাচার হবে, সেখানেই মুহূর্ত্বের মধ্যে পুলিশ হাজির হবে। মাজার এলাকায় পকেটপার ও চুরি রোধে সিসি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে। মাজার এলাকার ১২টি পয়েন্টে শতাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি আরো বলেন, মাজারে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য মাজারের সামনেই পুলিশ কন্ট্রোল রুম, নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন, সড়কে সড়কে পুলিশ বাহিনীর সদস্য, মাজার এলাকায় সাদা পোশাকদারি সদস্য ও কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মাজারে আগত ভক্ত দর্শণার্থীদের সুবিধার জন্য অভিযোগ বক্স দেয়া আছে।