Home জাতীয় ভয়াবহ কালবৈশাখীর ঝড়ে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী

ভয়াবহ কালবৈশাখীর ঝড়ে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী

SHARE

বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা ডেস্ক : আকস্মিক কালবৈশাখীর ঝড়ে কেঁপে উঠেছে রাজধানী। প্রচণ্ড তুফান আর সেই সাথে বৃষ্টি।চৈত্র মাসে ভয়াবহ কালবৈশাখীর ঝঢ়ে দুর্ভোগে পড়েছে রাজধানীবাসী।

বৃষ্টি তার সাথে প্রচণ্ড তুফান স্থবির করে দিয়েছে ঢাকার অফিস থেকে ঘরে ফেরা লোকজন।

মঙ্গলবার সন্ধা ৬টায় হঠাৎ করে ঢাকায় কালবৈশাখী ঝড় আসে। আবহাওয়া ছিলো প্রচণ্ড গরম। সন্ধা ৬টা ৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ করেই আকাশের কালো মেঘ ছুটতে শুরু করে দিক-বিদিক। এ যেন চৈত্র মাসে কালবৈশাখীর আগাম বার্তা।

(বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে যা করবেন)

বজ্রপাতের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। তবে এ থেকে বাঁচতে কিছু সতর্কতার কথা বলেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

১. পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে হবে। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয়, যদি কোনো দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারেন।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকতে হবে। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। খোলা জায়গায় কোনো গাছ থাকলে তা থেকে অন্তত ৪ মিটার দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. ঘরে থাকলে বজ্রপাতের সময় জানালা থেকে দূরে থাকতে হবে। জানালা বন্ধ রাখতে হবে।

৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৫. বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা ভালো। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরার চেষ্টা করতে হবে। প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টি হলে গাড়ি কোনো গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে রাখতে হবে। এ সময় গাড়ির কাচে হাত দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৭. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় তাহলে পা ঢাকা জুতা পরে বের হতে হবে। রবারের গামবুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।
৮. খোলা জায়গায় বা ফসলের মাঠে কাজ করা অবস্থায় আশ্রয়ের জায়গা না থাকলে যতটা সম্ভব নিচু হয়ে গুটিসুটি মেরে বসে পড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই মাটিতে শোয়া যাবে না।

৯. জলাশয় থেকে দূরে থাকতে হবে।

১০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হবে।

১১. নৌকায় থাকলে ছইয়ের নিচে থাকতে হবে।