Home ব্রেকিং জাতিসংঘ এখন মুসলিম নিধন সংঘে পরিণত হয়েছে: চরমোনাই পীর

জাতিসংঘ এখন মুসলিম নিধন সংঘে পরিণত হয়েছে: চরমোনাই পীর

2
0
SHARE

বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা ডেস্ক :  জাতিসংঘ এখন মুসলিম নিধন সংঘে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদের সামনে ভারতীয় দূতাবাসের অভিমুখে গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এ সময় চরমোনাই পীর বলেন, ‘আপনারা যারা তামাম দুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করছেন, আজকে কি তারা চোখ বন্ধ করে বসে আছেন? আজকে ভারতের মুসলমানদের ওপর যে অত্যাচার-নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে, তা আপনারা লক্ষ্য করছেন না? আজকে জাতিসংঘের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা নিশ্চুপ হয়ে বসে আছেন। আমরা বলব, আপনারা জাতিসংঘ না, মুসলমান নিধনকারী সংঘ!’

চরমোনাই পীর আরও বলেন, ভারত সরকার বলেছে, তারা ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষা করবে। কিন্তু ভারতে মুসলিমরা ধর্মীয় স্বাধীনতা দূরে থাক সাধারণ জীবনযাপন করতে পারছে না।তাদের রাজপথে কুপিয়ে,পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। আমরা এর ধিক্কার জানাই।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ জানিয়ে সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম আরও বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা মায়ের কোলে বসবাস করছে।তারা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলনে মুসলিমরা নেতৃত্ব দিয়েছিল জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম বলেন, ভারতবর্ষে মুসলমানরা ৭০০ বছর শাসন করেছিল। তারা সংখ্যালঘু নির্যাতন করলে ভারত হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হতে পারত না।

সমাবেশে ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন নেতার বক্তব্য শেষে তারা মিছিল নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করেন। পল্টন মোড়ে পুলিশ তাদের বাধা দিলে আবার বায়তুল মোকাররমের দিকে গিয়ে তারা কর্মসূচি শেষ করেন।

বেলা পৌনে ১২টার দিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল বের হয়। পল্টন মোড়ে হয়ে মিছিলটি এগুতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। তবে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

এ সময় জনতার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল ভারতীয় দূতাবাসে স্মারকলিপি জমা দিতে যান। কিন্তু দূতাবাসের হাইকমিশনার স্মারকলিপি গ্রহণ না করে লিয়াজোঁ অফিসার দিয়ে গ্রহণ করায় দলটির নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

image_pdfimage_print