Home বিনোদন ডাক্তারকে অঙ্কিতার বিষয়ে বলতে গিয়ে কেঁদেছিলেন সুশান্ত

ডাক্তারকে অঙ্কিতার বিষয়ে বলতে গিয়ে কেঁদেছিলেন সুশান্ত

SHARE

বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা ডেস্ক :  সাবেক প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডেকে ভুলতে পারেননি অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। আফশোস করতেন কেন অঙ্কিতার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করলেন। এই নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন।

এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন সুশান্তের চিকিৎসক কেরসি চাওলা। হিন্দুজা হাসপাতালে তিনি যখন প্রথম সুশান্তের সঙ্গে কথা বলেন, তখন সুশান্ত তাকে জানিয়েছিলেন অঙ্কিতা লোখান্ডেকে তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না। পুলিশি জেরায় এমনটাই জানিয়েছেন চিকিৎসক চাওলা।

সুশান্তের মৃত্যুতে তদন্ত শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে বয়ান দিয়েছেন সুশান্তের চর্চিত বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। এছাড়াও বন্ধু, পরিচারক, আবাসনের কেয়ারটেকার, সুশান্তের রাঁধুনিসহ এখনও পর্যন্ত ১০ জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। এই দশজনের বয়ান তদন্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

বুধবার বয়ান নথিভুক্ত হয়েছে সুশান্তের শেষ ছবি দিল বেচারার পরিচালক মুকেশ ছাবরার। মুকেশ জানিয়েছেন, সুশান্তের পেশাগত শত্রুতার কোনও খবর ছিল না তার কাছে। তাই তিনি বলেছেন পুলিশকে।

চিকিৎসক কেরসি চাওলা আরও জানিয়েছেন, অঙ্কিতার সঙ্গে ব্রেকআপের পর সব ঠিকঠাকই চলছিল। এরপর সুশান্তের জীবনে আসেন কৃতী শ্যানন। কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। সুশান্তের সঙ্গে কৃতির প্রথম সিনেমা ‘রবতা’। সেই সিনেমার শ্যুটিংএর সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু কৃতির মা এই সম্পর্ক থেকে মেয়েকে বেরিয়ে আসতে বলেন। সুশান্তের থেকে মেয়েকে দূরে থাকতে বলেন। এরপরই ভেঙে যায় সেই সম্পর্ক।

রাতে ঘুম হতো না, প্রথম এই সমস্যার কথাই সুশান্ত জানিয়েছিলেন চিকিৎসককে এবং সেই ঘুম না হওয়ার অদ্ভুত কিছু কারণ বলেছিলেন সুশান্ত।

চিকিৎসকের সঙ্গে মাত্র তিনবার সামনাসামনি কথা হয়েছি সুশান্তের। সুশান্তের এক খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু মারফত তিনি রিয়া চক্রবর্তীর এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকেই তিনি জানতে পারেন, রিয়া ভারসোভাতে অন্য এক বন্ধুর সঙ্গে ফ্ল্যাট শেয়ার করে থাকতেন। পরবর্তীতে সুশান্ত তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে আসেন। রিয়াকে নিয়ে বিদেশ ভ্রমণেও যান। কিন্তু রিয়ার আচরণে সুশান্ত সন্তুষ্ট ছিলেন না। যে কোনও ব্যাপারেই রিয়া খুব বিরক্তি দেখাতেন, পরিচিত মহলে রিয়ার ব্যবহার নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন সুশান্ত।

চিকিৎসকের কাছে সুশান্ত জানিয়েছিলেন, তার এবং রিয়ার সম্পর্কে শিলমোহর দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টও করেছিলেন। কিন্তু রিয়ার তা পছন্দ ছিল না। জোর করে সুশান্তকে দিয়ে মুছিয়ে দেন সেই পোস্ট।

‘অঙ্কিতার মতো করে কেউ তাকে বোঝে না, অঙ্কিতার মতো প্রেমিকা তিনি আর পাবেন না’, চিকিৎসকের কাছে অনেকবার এই নিয়ে দুঃখ করেছেন সুশান্ত। অঙ্কিতা সুশান্ত এবং তার কাজকে মন থেকে ভালোবাসতো। কিন্তু এরপর যারা এসেছেন সুশান্তের জীবনে কেউই তাকে মন থেকে ভালোবাসতে পারেনি।