Home ব্রেকিং উত্তরায় শোক দিবসের আলোচনায় ১৫ আগষ্টের সৃতিচারণ করলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান

উত্তরায় শোক দিবসের আলোচনায় ১৫ আগষ্টের সৃতিচারণ করলেন যুবলীগ চেয়ারম্যান


রাজধানীর উত্তরায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্ট ও ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে শোকসভার প্রধান অতিধি হিসেবে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ভিডিও বার্তায় ১৫ আগস্টের দুঃসহ ঘটনার স্মুতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও না আসতে পারার জন্য তিনি সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এসময় তিনি বলেন, সেই ভয়াল রাতে উঠে দেখি সিঁড়িতে বাবা-মার রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তখন ঘাতকচক্র বারবার আমার আমাদের দুই ভাই ও আমাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুজছে মেরে ফেলার জন্য। জীবন বাঁচাতে বাসা থেকে এক কাপড়ে বের হয়ে যাই। দীর্ঘ ৬ মাস এবাসা ও বাসায় থাকার পর আমরা রিপিউজি হিসেবে ভারত চলে যাই। আমরা ছোট ছিলাম তখন আমরা বুঝিনা মৃত্যু কাকে বলে, মানুষ একে অপরকে কেন মারে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উম্মোচন হচ্ছে আজ।, অচিরেই তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। ষড়যন্ত্র করে কেউ কখনো পার পেতে পারে না। যা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে যাচ্ছেন। এখনও বিচার হচ্ছে। সব ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার হবে।

অনুষ্টানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহ্বাজ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট হামলা একই সূত্রে গাঁথা। ১৫ আগস্ট এর মাস্টার মাইন্ড ছিলেন জিয়াউর রহমান আর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিলেন খালেদা জিয়া ও তার ছেলে। বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ তার ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার আগে বলে গেছেন, ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন জিয়াউর রহমান। তাই যুবলীগের দাবি জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর ফাঁসির রায় কার্যকর করার। একই পথে খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদেরকে পুনর্বাসন ও পুরস্কৃত করেছিলেন। এজন্য যুবসমাজ ও যুবলীগের একটাই দাবি যারা এই হত্যাকারীদের পৃষ্ঠপোষক এবং যারা আশ্রয়- প্রশ্রয়দাতা এবং তাদের পূর্ণবাসন করে দিয়েছে সেই বেগম খালেদা জিয়াকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। ষড়যন্ত্রের মূলহোতাদের বিচারের আওতায় আনার জন্য যুবলীগকে সবসময় সজাগ থাকতে হবে।

যুবলীগে কোন বিশৃংখলার সুযোগ নাই, কোন চাদাবাজির সুযোগ নাই, যুবলীগ হবে জননেত্রী, দেশ নায়ক, বিশ্বনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্দশের সংগঠন। ঢাকা-১৮ আসনের প্রয়াত এমপি সাহারা খাতুনকে একজন ত্যাগী নেত্রী উল্লেখ করে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ আসনে উপনির্বাচনে অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে নমিনেশন দিবেন যুবলীগ তার জন্য কাজ করবে। নৌকাকে বিজয়ী করতে এবং নির্বাচনী মাঠে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে উত্তরা যুবলীগের সকল নেতাকর্মী নির্দেশনা দেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবরীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ঢাকা-১৮ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী অধিকাংশ নেতা উপস্থিত ছিলেন। এদের মাঝে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতা হাবিব হাসানসহ অনেকে। এছাড়া ঢাকা উত্তর যুবলীগের নেতাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন সরকার, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সেলিম খান, সহ-সম্পাদক আবুল কালাম রিপন, তুরাগ থানা যুবলীগের নিত্য চন্দ্র ঘোষ ও নাসির উদ্দিনসহ অনেকে।