Home ব্রেকিং বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৪.৭% যা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় 53.5%ছিল -প্রাথমিক...

বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৪.৭% যা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় 53.5%ছিল -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন বলেছেন, বর্তমানে সাক্ষরতার হার শতকরা ৭৪.৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে যা 2005 সালে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় ছিল মাত্র 53.5 ভাগ। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নিরলস প্রচেষ্ঠায় ‘সবার জন্য শিক্ষা’ এবং ‘সহস্রাব্ধ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ’ সাফল্যজনকভাবে অর্জনের জন্য ২০১৪ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশকে ‘শান্তি বৃক্ষ’ পদক প্রদান করে।

প্রতিমন্ত্রী আজ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সম্মেলন কক্ষে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস- ২০২০’ উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেনের সভাপতিত্বে আর্ন্তজাতিক সাক্ষরতা দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ‍ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষসহ বিভিন্ন সহযোগী দাতা সংস্থা ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতেৃত্বে বাংলাদেশে প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন করা হয়। কোভিড-১৯ এর সংক্রমনে পুরো পৃথিবী আজ স্থবির হয়ে পড়েছে, উন্নয়নের চাকা অনেকটা থমকে গেছে। প্রায় ৫ মাস হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষার্থীরা অনিশ্চিত অবস্থায় গৃহবন্দী হয়ে ক্লাসে যাবার অপেক্ষায় রয়েছে। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দিবসটি সীমিত আকারে উদযাপিত হচ্ছে। এ বছর কোভিড-১৯ কে বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘‘কোভিড-১৯ সংকটঃ সাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন-শেখানো কৌশল এবং শিক্ষাবিদদের ভূমিকা’’ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাই জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির চাবিকাঠি এবং দক্ষ মানব-সম্পদ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভিত্তি। তিনি বলেন, স্বাধীনতাপূর্ব শিক্ষাব্যবস্থা ছিল বৈষম্যমূলক, সনাতনধর্মী, গতানুগতিক ও অর্ধশিক্ষায় শিক্ষিত মেরুদন্ডহীন মানুষ তৈরির পরিকল্পনা। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষককে সরকারিকরণের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রগতির সোপান রচনা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২০ এর দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন ঘোষনা করেন।