Home ব্রেকিং বিএনপির কেন্দ্রীয় ৪ নেতার ফরিদপুরে ১০ বছর নেই কমিটি

বিএনপির কেন্দ্রীয় ৪ নেতার ফরিদপুরে ১০ বছর নেই কমিটি

SHARE

ফরিদপুর জেলার ৪ কৃতি সন্তান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে শক্ত অবস্থানে। ৪ নেতার মধ্যে ২ জন উত্তরসুরি আর ২ জন তৃণমূল থেকে। উত্তরসুরি নেতারা হচ্ছে বর্ষিয়ান নেতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা শামা ওবায়েদ।

শামা ওবায়েদ বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। অপরজন হচ্ছে জমিদার সাবেক মন্ত্রী মোহন মিয়ার নাতনী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ কন্যা চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি হচ্ছে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক।

তৃনমুল থেকে আসা একজন হচ্ছে ৮০ দশক থেকে তিলে তিলে গড়ে উঠা ফরিদপুরের কৃতি সন্তান সমাজ সেবক মাহাবুবুল হাসান পিংকু। তিনি বর্তমানে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা ও ফরিদপুর বিভাগীয় যুবদলের সহ সভাপতি।

আরেকজন হচ্ছে ফরিদপুর তৃনমুল ছাত্র নেতা থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হওয়া শহিদুল ইসলাম বাবুল। তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক। মাহাবুবুল হাসান পিংকু ও শহিদুল ইসলাম বাবুল হামলা – মামলা নির্যাতনের শিকার হয়ে এই পর্যন্ত পৌঁছেছে।

অপরদিকে শামা ওবায়েদ ও চৌধুরী নায়াব ইউসুফ উত্তরসুরি হিসেবে অনেক এগিয়ে আছেন। দুইজনই পিতার আদর্শের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আগামীতে আরো ভালো করবে বলে মনে করে ফরিদপুরের সাধারণ জনগন।

তারপরেও হতাশায় ভুগছে ফরিদপুরের জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী নেতা কর্মীরা। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিএনপির কোন কমিটি নেই । ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফরিদপুরে জেলা বিএনপির কমিটি ভেংগে দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি এবং তিন মাসের মধ্যে নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়।

এই কমিটির গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয় বৃহত্তর ফরিদপুরের ৩ কৃতি সন্তানকে তারা হলেন শামা ওবায়েদ, ফরিদপুরের কৃতি সন্তান ও রাজেন্দ্র কলেজের সাবেক ভিপি খন্দকার মাশুকুর রহমান ও গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান সেলিমুজ্জামানকে। কিন্তু বিভিন্ন দ্বন্দের কারনে দীর্ঘ এক বছরেও বিএনপির কমিটি প্রস্তুত করতে পারে নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা জানান, ফরিদপুর বিএনপি ৪ টি ভাগে বিভক্ত। এই কারনে নতুন কমিটি সুষ্ঠ ভাবে গঠন করা যাচ্ছে না। কমিটি গঠনের আলোচনা করতে গেলে কোন এক গ্রুপ থেকে বাধার সৃষ্টি হয়। যার যার মত কমিটি করার চেষ্টা চালায় বা প্রস্তাবনা দেয়। এজন্য দীর্ঘ ১ বছরে দলকে পুনঃ গঠন করতে পারছে না।নেতাকর্মীরা হতাশায় ভূগছে ।