Home ব্রেকিং লক্ষ্মীপুরে প্রার্থী বাছাই নিয়ে দ্বন্দ্ব, আ.লীগের সভা পণ্ড

লক্ষ্মীপুরে প্রার্থী বাছাই নিয়ে দ্বন্দ্ব, আ.লীগের সভা পণ্ড

SHARE

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই নিয়ে দ্বন্দ্বে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তুমুল হই হট্টগোল, মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দলীয় কাউন্সিলরদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজার গণমিলনায়তনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলায় কর্মী সমর্থকরা জানান, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

নির্ধারিত সময় বেলা ১১টায় সভা শুরু হওয়ার আগেই চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক মুনছুর আহম্মেদ তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হঠাৎ সভায় ঢুকে কোনো ভোটাভুটি হবে না বলে মঞ্চের চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করেন এবং দলীয় কাউন্সিরদের জোরপূর্বক বের করে দেন। একপর্যায়ে হই হট্টগোলে সভা পন্ড হয়ে যায়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে সভার কাজ পুনরায় আবার শুরু হয়ে দুপুর ২টার দিকে শেষ হয়।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রার্থী বাছাই সভায় দলের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন, চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক আবুল কাশেম চৌধুরী। এসময় জেলা আওয়ামীলীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতলবও উপস্থিত ছিলেন।

চন্দ্রগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান পদে আসন্ন উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক মুনছুর আহম্মেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আইনুল আহম্মেদ তানভীর, সাবেক চেয়ারম্যান এম ছাবির আহম্মেদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মন্নান, জয়নাল আবেদীন ও ভিপি জহিরুল ইসলামসহ ৭জন।

চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক আবুল কাশেম চৌধুরী বলেন, কয়েকজন প্রার্থীর আপত্তির কারণে ভোটাভুটি হয়নি। জেলা আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনে ৭জনের নামই দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, সভা শুরু হওয়ার আগেই কিছুটা হট্টগোল হয়েছে। পুলিশ আসার পর বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।