Home জাতীয় ড.মোঃ সাইফুল ইসলামের নতুন কর্মস্থল,নতুন ইউনিভার্সিটিতে জামাত-শিবিরের অনুপ্রবেশ

ড.মোঃ সাইফুল ইসলামের নতুন কর্মস্থল,নতুন ইউনিভার্সিটিতে জামাত-শিবিরের অনুপ্রবেশ

SHARE

শিক্ষা প্রতিবেদক : উদ্দোক্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে ২০১৮ সালের জুন মাসে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি নামক উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা জন্য সাময়িক অনুমোদন লাভ করে।প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে মহাখালী বানিজ্যিক এলাকায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের জুন মাসে অনুমতি লাভের অনতিবিলম্বে কিছু স্বল্প কিংবা অপরিচিত লোক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ভবনে আসা-যাওয়া শুরু করে।এদের মধ্যে জামাত-শিবির ঘরানার বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিপূর্বে চাকরি করেছেন এমন লোকজনই বেশি।

ড.মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি তার নামের শুরুতে প্রফেসর লিখে থাকেন,যদিও প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সব ক্রাইটেরিয়া পূরণ করে প্রমোশন পেয়ে প্রফেসর হওয়ার মতো কোন নথিপত্র প্রদর্শনে তিনি অক্ষম। তার চাকুরির ইতিহাস খুঁজে এই প্রতিবেদক যা জানতে পেরেছেন তা হলো, জামায়াত-শিবির সংশ্লেষসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেওয়া উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল এহসান ইউনিভার্সিটি’র একটি অংশের ভাইস-চ্যান্সেলর ছিলেন তিনি।

তাছাড়া যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত মাওলানা সাদেক পরিবারের প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ইউনিভার্সিটি এবং একই ঘরানার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশা ইউনিভার্সিটিতেও রেজিস্ট্রার পদে চাকরি করার ইতিহাস তার রয়েছে।

সর্বশেষে প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটিতে কর্মরত অবস্থায় জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে চাকুরী হারান তিনি। দীর্ঘদিন বেকার জীবন যাপন করার পর নিজ রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে বর্তমানে রেজিস্ট্রার পদে চাকরি নিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটিতে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা রেজিস্ট্রারের অজ্ঞাত কারণে চাকরি ত্যাগ করায় তার সেখানে অনুপ্রবেশের সুযোগ এসে যায়।শুধু তাই নয়,স্ব স্ব রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে বেশ কয়েকজন জামায়াত-শিবির কর্মী ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ঢুকে গেছে।ভবিষ্যতে জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট বাকি ব্যক্তিবর্গের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করার ইচ্ছা এই প্রতিবেদকের রয়েছে।

জামায়াত-শিবির কর্মিবৃন্দের বিবিধ রাজনৈতিক এজেন্ডার মধ্যে অন্যতম এজেন্ডা হলো নিজ নিজ রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে বিবিধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে যাওয়া। রাজনৈতিক কলহ মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং সুচারুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে এতদ বিষয়ে সতর্ক হওয়া আবশ্যক।