Home রাজনীতি এরশাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে বদ্বপরিকর জাতীয় ছাত্রসমাজ: ইব্রাহিম খান জুয়েল

এরশাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে বদ্বপরিকর জাতীয় ছাত্রসমাজ: ইব্রাহিম খান জুয়েল

SHARE

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেন্দ্রীয় জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি পুরান ঢাকার কৃতি সন্তান ইব্রাহিম খান জুয়েল,র নেতৃত্বে রংপুর জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্যারের কবরে জিয়ারত ও পুষ্পস্তাবক প্রদান করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় ছাত্রসমাজের কর্মিসভায় অংশগ্রহণ করেন।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় ছাত্রসমাজের কর্মিসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, উদ্বোধক ছিলেন কেন্দ্রীয় জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েল, প্রধান বক্তা মারুফ তালুকদার প্রিন্স। প্রধান অতিথি বলেন জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে দেশ উন্নয়নের ফাউন্ডেশন ভিত্তি রচয়িতা হয়েছে। এরশাদের আমলে মানুষ সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করেছেন।

এখন চাকচিক্যের জীবন এতে সুখ শান্তি কিছুই নেই বরংচ অশান্তি বিরাজ করছে চারিদিকে কারণ অপর্যাপ্ত কর্মসংস্থান, কর্মমুখী শিক্ষার অভাব,দূর্নীতি, একশ্রেণী সিন্ডিকেটের হাতে অর্থনৈতিক সেক্টর জিম্মি যার ফলশ্রুতিতে আজ দেশে বিনিয়োগ করে অনেকে ব্যবসায় মন্দাভাব, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশে অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড।

বর্তমানে উত্তরবঙ্গে অবকাঠামো গত যে উন্নয়ন হয়েছে তা এরশাদের আমলে তুলনামূলক বর্তমানে যতটুকু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকারখানা চাহিদা মোতাবেক হওয়া উচিত তা একেবারে নগন্য। ছাত্ররাজনীতি কলুষিত হওয়ার ফলে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি চর্চার বড়ই অভাব।

উদ্বোধন করে কেন্দ্রীয় সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েল বলেন ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ এ শ্লোগান নিয়ে আমাদের নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রুপসা থেকে পাথুরিয়া আনাচে কানাচে রাস্তা ঘাট,কালভার্ট,ব্রিজ অসংখ্য বেরি বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলকারখানা, বিদ্যুৎ সেক্টর জ্বালানি সেক্টর এ উৎপাদন বৃদ্ধি,বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন,নারী নির্যাতন রোধে আইন,এসিড নিক্ষেপ রোধে আইন সহ উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টি করে অসহায় শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে তিনি দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কৃষকদের কথা মাথায় রেখে তিনি সহজ শর্তে ঋন প্রদান,প্রেষণা ও ভূর্তকী দিয়ে খাদ্য সেক্টরে বিপ্লব সৃষ্টি করিছিলেন। তিনি গ্রামে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেবার জন্য প্রতিটি উপজেলায় তিনজন এমবিবিএস ডাঃ ও ৭ জন দক্ষ ইন্টার্নি ডাক্তার সহ মোট ৯ জন কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক করেছিল