Home ব্রেকিং দায়িত্বশীল পদে থেকে ব্যক্তিগত আক্রোশের জবাব দেওয়াটা সমীচীন মনে করি না; উৎকোচ...

দায়িত্বশীল পদে থেকে ব্যক্তিগত আক্রোশের জবাব দেওয়াটা সমীচীন মনে করি না; উৎকোচ গ্রহণ, কমিশন বাণিজ্য, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, জিম্মি করে অর্থ আদায় করাই দুর্নীতিঃ ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস

SHARE

 

দায়িত্বশীল পদে থেকে ব্যক্তিগত আক্রোশের জবাব দেওয়াটা সমীচীন মনে করি না বলে মনে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
তিনি আজ রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় বলেন, কেউ যদি ব্যক্তিগত আক্রোশের বশবর্তী হয়ে কোন কিছু বলে থাকেন, সেটার জবাব দায়িত্বশীল পদে থেকে দেওয়াটা সমীচীন মনে করিনা।

সাঈদ খোকন দুর্নীতি করেছেন এটা সবাই জানে, কিন্তু সাঈদ খোকন আপনি দায়িত্ব গ্রহণের এক বছরের মাথায় উল্টো আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন, বিষয়টিকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করছেন — এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, যদি কেউ উৎকোচ গ্রহণ করে, যদি কেউ ঘুষ গ্রহণ করে, যদি কেউ কোনো কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য কমিশন–বাণিজ্য করে, যদি কেউ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে, বিল দেওয়ার জন্য কমিশন–বাণিজ্য করে, সরকারি প্রভাব কাজে লাগিয়ে কাওকে জিম্মি করে অথবা কোনো কিছু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ নিয়ে থাকে বা অর্থ আত্মসাৎ করে থাকে, সেক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়। যে অভিযোগ আনা হয়েছে, এটা কোনোভাবেই কোনো বস্তুনিষ্ঠ বক্তব্য না।

মেয়র পদে থাকার যোগ্যতা হারানোর অভিযোগের জবাবে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, এটা ওনার ব্যক্তিগত অভিমত। এটার কোনো গুরুত্ব বহন করে না।

কর্মীদের বেতন দিতে না পারার বিষয়ে ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, এটা নিছক ভ্রান্ত কথা। এমন বক্তব্যের বাস্তবিক কোনো ভিত্তি নেই।

মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এ সময় আরও বলেন, জাতির পিতা দেশে ফিরে না এলে স্বাধীনতা পূর্ণাঙ্গ রূপ পেত না। তাই আজকের এই দিনটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমি ওনার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

পরে নগর ভবনে অযান্ত্রিক যানবাহনের নিবন্ধন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং সরকারী নীতিমালা পরিপালনপূর্বক সকল সরকারি সংস্থা থেকে বেসরকারি ব্যাংকসমূহ আমানত সংগ্রহ করে। সেটা কর্পোরেশন হোক সেটা, কর্তৃপক্ষ হোক, সেটা সরকারে কোন কোম্পানি হোক সকল ক্ষেত্রে বেসরকারি ব্যাংকগুলো আমারা সংগ্রহ করে থাকে। মধুমতি ব্যাংক ও সেরকম একটি বেসরকারি ব্যাংক। তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, বিভিন্ন দপ্তর থেকে আমানত সংগ্রহ করে চলেছে। সুতরাং একানে কোন আইন বহির্ভূত কিছু নেই, দুর্নীতিরও কিছু নেই।

এ সময় তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জানানো প্রতিক্রিয়ার আলোকে আবারও দুর্নীতির অধিক্ষেত্র তথা সংজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করেন।