Home বিনোদন সবাই ক্রেডিট নিতে চায়: তসিবা ...

সবাই ক্রেডিট নিতে চায়: তসিবা প্রসঙ্গ,নয়া দামান

SHARE

আইলারে নয়া দামান আসমানেরও তেরা/ বিছানা বিছাইয়া দেও শাইল ধানের নেড়া/ দামান বও দামান…’। নেট দুনিয়া ভাইরাল এই গানটি মানুষের মুখে মুখে আর একের পর এক ভিডিও হচ্ছে গানটি দিয়ে। তবে গানটির নতুন এই ভার্সনের শিল্পীর রয়েছে আক্ষেপ। নতুন করে গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন সিলেটের দুই উদীয়মান শিল্পী প্রবাসী মুজা ও তসিবা।

পুরনো গান হলেও নতুন করে গানটি আবারো মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। গান ও নিজের স্বপ্নের কথা সিলেট প্রতিদিনের সাথে আলাপকালে তুলে ধরেছেন তসিবা বেগম।

ভাটির মেয়ে ভাটিয়াল সুর। তসিবা বেগম। সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজারের কামারগাঁও গ্রামে জন্ম। বেড়ে উঠা সিলেটের খাদিম নগর এলাকায়। তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তসিবা মেজ। ছোট বেলা থেকে গানের প্রতি আলাদা একটা টান ছিল তার। সেই টান থেকে গান গাওয়া শুরু। বাবা-মা সঙ্গীত প্রিয় হওয়া তেমন কোনো বাঁধার মুখে পড়তে হয়নি তাকে। নিজের চেষ্টায় বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশনের রিয়েলটি শোতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে সেই সময়ে সুযোগ হয়নি তসিবার।

দীর্ঘদিন পর টিকটক ভিডিওয়ে বাজনা ছাড়া গান ও সিলেটের অঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে ভাইরাল হয়ে যান তিনি। সম্প্রতি তার গান শুনে প্রবাসী শিল্পী মুজা যোগাযোগ করেন।পরে দুজন এই গানে কন্ঠ দেন। কথা ছিল গানটি নিয়ে বড় পরিসরে ভিডিও করার। কিন্তু তার আাগেই গানটি ভাইরাল হয় এক যুবতীর বিয়ের অনুষ্ঠান ও ডাক্তাদের নাচের ভিডিও । বিভিন্ন টিভি ও পত্র-পত্রিকায় এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হলেও নাম আসেনি তসিবার।এতে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

তসিবা বলেন, টিকটকের মাধ্যম খোলা গলায় গান গাওয়া। সেখানে আমার বিভিন্ন ধরণের গান রয়েছে। তার মধ্যে একটি আইলারে নয়া দামান। প্রবাসী শিল্পী মুজার ভাইয়ের কথায় সিলেট থেকে গানটি রেকর্ড করে দেই। পরে মুজা ভাইয়ের ইউটিউবে গানটি প্রকাশিত হয়। মূহুর্তে টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে গানটি ভাইরাল হয়। সবাই ক্রেডিট নিচ্ছে আমরা যে গান গাইলাম কেউ তো আমাদের কথা বলছে না।

তিনি বলেন, সবার ভাগ্যে সব জুটে না। আমার বেলাও তাই হয়েছিল।দীর্ঘ ৮ বছরের থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম কোথাও কোনো সুযোগ হয়ে উঠেনি। এবার যখন হলো তখন অন্যরা সেই সুযোগও নিতে চাচ্ছেন। আমার অনুপ্রেরণা বাবা-মা আত্মীয় স্বজনের সার্পোট।সবার সার্পোটে আজ আমার এই জায়গায় আসা।

তসিবা বলেন,গান নিয়ে দীর্ঘদিনের ইচ্ছে থাকায় এখনো কাজ করছি। বাসায় বসে বসে ভিডিও করে ইউটিউব ও টিকটকে আপলোড করছি।যেহেতু টিকটক থেকে আমার এই সুযোগ হয়েছে।তাই আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। প্রত্যেক মানুষের বিভিন্ন ধরণের মেধা থাকে সেটা কেউ কাজে লাগাতে পারে আর কেউ পারে না।

তিনি আরও বলেন, গানটি ইউটিবে প্রকাশের পর দেখতে পাই যে ছায়াছবি নামের একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব পেজে দেয়া এই ভিডিওচিত্রে খুলনার এক কনের বন্ধু-স্বজন নারীদের এই গানে নাচতে দেখা যায়। পরে ডাক্তারদের নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অথচ অনেকেই বলেছেন এই গানটি না কি উনারা নিজেই গেয়েছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

তিনি বলেন,স্বপ্ন প্রত্যেকে দেখেন কিন্তু বাস্তব করাটা কঠিন।আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ভালো প্ল্যাটফর্মে কাজ করার । যদি সুযোগ পাই কাজ করবো। আল্লাহ আমার স্বপ্নের পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। সামনে ভালো আরও কিছু গান নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে।