Home খেলাধূলা ওয়ানডে সিরিজে থাকছে তামিম ইকবাল

ওয়ানডে সিরিজে থাকছে তামিম ইকবাল

SHARE

তামিম ইকবালের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ বিশ্রামে থাকা। তবে পয়েন্টের হাতছানি বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ককে বাধ্য করছে বিকল্প ভাবতে। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের সুপার লিগের অংশ বলে কথা। তাই পায়ে টেপ পেচিয়ে, যতটা সম্ভব নিরাপদে থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলবেন তামিম। হাঁটুর এই চোটের কারণে সফরের একমাত্র টেস্টে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। ব্যথা এখনও আছে, অস্বস্তি তো আছেই। তবে অবস্থার আরও অবনতি না হলে ওয়ানডে সিরিজে তার খেলা নিয়ে শঙ্কা আপাতত নেই। টেস্টে খেলা অনিশ্চিত জেনেই অবশ্য জিম্বাবুয়ে গেছেন তামিম। তার মূল লক্ষ্যই ছিল ওয়ানডে সিরিজে খেলা। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ বলেই খেলতে মরিয়া তিনি। টেস্ট ম্যাচের এই কদিন পুরোপুরি বসে থাকেননি তামিম। রানিং, স্ট্রেচিং, টুকটাক ক্যাচিং অনুশীলন করেছেন। তারপরও জড়তা যতটুকু আছে, প্রস্তুতি ম্যাচে তা কাটিয়ে উঠতে চান তিনি। ওয়ানডে সিরিজের আগে আজ বুধবার একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। তামিম জানালেন, এই ম্যাচে খেলবেন তিনি।

’ওয়ানডে সিরিজ আশা করি খেলতে পারব। যতটা নিরাপদে থেকে পারা যায়, চেষ্টা করব সেভাবে খেলার। তারপর খেলার মধ্যে কিছু হয়ে গেলে তো অন্য ব্যাপার। তবে এখন যে অবস্থা, তাতে ম্যানেজ করতে পারব। তার আগে প্রস্তুতি ম্যাচটা খেলব। সেখানেও অনেকটা বুঝতে পারব। আশা করি, সব ঠিকঠাক হবে।’ এই নিরাপদে থাকার অংশ হিসেবেই পায়ে টেপ পেচিয়ে খেলবেন তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচে সেটার মহড়াও হয়ে যাবে।

হাঁটুর এই চোটের কারণে গত মাসে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টির সুপার লিগে খেলেননি তামিম। জিম্বাবুয়ে সফরেও যান ব্যথা নিয়েই। টেস্টের আগে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে ব্যাটিং করেননি তিনি। দ্বিতীয় দিনে শেষ বিকেলে আধ ঘণ্টার মতো সময় কাটান উইকেটে। তবে ওই ইনিংসের পথে একটি রান নেওয়ার চেষ্টায় আবার বেড়ে যায় তার ব্যথা। ওয়ানডে সিরিজের জন্যও তার মূল ঝুঁকির জায়গা রানিং। সেখানেই সতর্ক থাকতে হবে তাকে। ওয়ানডে সিরিজ ভালোভাবে শেষ করতে পারলেও এরপর তার দেশে ফিরে আসা নিশ্চিত। খেলতে পারবেন না টি-টোয়েন্টি সিরিজে। দেশে ফিরে শুরু হবে তার বিশ্রাম পর্ব, এই চোট থেকে সেরে ওঠার যা আপাতত একমাত্র দাওয়াই। ঢাকা লিগ চলার সময়ই তার হাঁটুর স্ক্যান রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায় শল্যবিদ ডেভিড ইয়াংয়ের কাছে। সেই রিপোর্ট দেখে ইয়াংয়ের পরামর্শ ছিল, তামিমকে ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ বিশ্রামে রাখতে। পর্যাপ্ত বিশ্রামেই এটি সেরে উঠবে, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই। তারপরও বিশ্বকাপ বাছাই বলেই অনেক ভেবে ঝুঁকিটা নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন।

এই ওয়ানডে সিরিজ শেষে জিম্বাবুয়েতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ, আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া, পরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তামিম নিশ্চিতভাবেই খেলতে পারবেন না। সব ঠিকঠাক থাকলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে আবার তাকে পাওয়া যেতে পারে।