Home ক্যাম্পাস খবর দেশে কাজ করে ৬-৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা-ভারত-পাকিস্তানীরা

দেশে কাজ করে ৬-৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা-ভারত-পাকিস্তানীরা

SHARE

দেশে এখনও প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদের অভাব আছে উল্লেখ করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তানের লোকেরা আমাদের এখানে কাজ করে ৬-৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যায়। নিয়ে যাক, তাতে সমস্যা নাই। কেননা ৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে যেতে তাদের ১৪-১৫ বিলিয়ন ডলারের উৎপাদন করতে হয়। কিন্তু আমরা চাই আমাদের নিজস্ব কর্মশক্তি গড়ে উঠুক।

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ ও সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি’র যৌথ উদ্যোগে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা: বাংলাদেশের অর্জন ও ভবিষ্যত রুপরেখা’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ।

প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন ঘটাতেই হবে। না হলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জন্য দূরুহ হয়ে পড়বে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা বৃদ্ধি ও শিল্পের সাথে শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে হবে। বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা সফলতার সাথে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যম এর লক্ষ্যমাত্রাগুলো পূরণে এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন ও সামাজিক সমতা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং সুস্থ পরিবেশ গড়ে তোলা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য জরুরি। এক্ষেত্রে অগ্রগতি সাধন করায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জুয়েল ইন দ্যা ক্রাউন অফ দ্যা ডে’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, এমডিজিতে বাংলাদেশ ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছিলো। এসডিজি বাস্তবায়নেও পঞ্চ ও অষ্টবার্ষিকী পরিকল্পনা আছে। এই যাত্রা সফল হলে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে।

SHARE