Home ক্যাম্পাস খবর রাবিতে দুই দিনব্যাপী সায়েন্স ক্লাবের বিজ্ঞান মেলা

রাবিতে দুই দিনব্যাপী সায়েন্স ক্লাবের বিজ্ঞান মেলা

SHARE

রাবি প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব ও জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় ৬ ষষ্ঠবারে মতো উৎসবমূখর পরিবেশে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা শুরু হয়।

শনিবার (২৪ সেপ্টম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) বেলুন উড়িয়ে মেলাটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি আবিদ হাসানের সভাপত্বিতে মেলায় উপস্থিত ছিলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম শান্তুনু, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.সাদেকুল আরেফিন মাতিন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম এবং ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাকালীন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. তারিকুল হাসান এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি জহুরুল ইসলাম মুন।

দুইদিন ব্যাপি এ আয়োজনের প্রথমদিন সায়েন্স অলিম্পিয়াড, প্রজেক্ট শো, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট, তিন মিনিট থিসিস প্রেজেন্টেশন, সেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। সকলের জন্য সিক্স ডি, নাইন ডি মুভি প্রদর্শন করা হয়।

এবারের প্রজেক্ট শো প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ১৭টি দল। এতে প্রদর্শন করা হয় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের নব উদ্ভাবিত সৃষ্টির। উদ্ধোধনী পর্ব শেষে বিশ্ববিদ্যালয় উপউপাচার্য ড.গোলাম সাব্বির প্রজেক্ট শো তে অংশ নেয়া বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে উপাচার্য সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বর্তমান সময়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের ছেলে-মেয়েরা অনেকেই বিজ্ঞানবিমুখ হয়ে গেছে। আমরা যদি এগিয়ে যেতে চাই বা আধুনিক উন্নত সমাজ বিনির্মাণ করতে চাই তাহলে বিজ্ঞানের কোন বিকল্প নেই। সে আঙ্গিকে আজকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের অনুভবকে ছড়িয়ে দেওয়ার এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। এভাবেই আমরা একটি বিজ্ঞান মনস্ক সমাজ গড়ে তুলতে পারবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে থাকবে, ওয়াল ম্যাগাজিন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন, সায়েন্টিফিক স্টোরি রাইটিং, সায়েন্টিফিক পেইন্টিং, সায়েন্টিফিক স্পিচ, রুবিক্স কিউব এবং ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতার।

দুই দিনব্যাপী এ বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন ইভেন্টে রাজশাহী এবং রাজশাহীর বাইরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই হাজার বিজ্ঞান প্রেমিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে