Home ক্যাম্পাস খবর চুয়েটের সাথে বিটাকের শিল্প ও প্রযুক্তি বিনিময় সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

চুয়েটের সাথে বিটাকের শিল্প ও প্রযুক্তি বিনিময় সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

-চুয়েটের সাথে বিটাকের সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমসহ দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।

পরিক্রমা ডেস্ক : চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর যন্ত্রকৌশল অনুষদের সাথে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স সেন্টার (বিটাক) এর টুলস অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট (টিটিআই)-এর একটি দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ ১৮ই সেপ্টেম্বর (সোমবার) ২০২৩ খ্রি. বেলা ১২:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সিন্ডিকেট কক্ষে চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম মহোদয়ের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এ সময় বিটাক পরিচালক জনাব আনোয়ার হোসেন চৌধুরী (অতিরিক্ত সচিব) উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সমঝোতা স্মারকে চুয়েটের পক্ষে যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এবং বিটাকের পক্ষে পরিচালক (পরিকল্পনা) ড. মো. জালাল উদ্দিন পি.ইঞ্জ. স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে সাক্ষী হিসেবে চুয়েটের পক্ষে যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহাম্মদ এবং বিটাকের পক্ষে টিটিআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলম ও বিটাকের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব পবিত্র কুমার কবিরাজ স্বাক্ষর করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (তথ্য ও প্রকাশনা) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, সহকারী সমন্বয় (সমন্বয়) জনাব মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং সহকারী রেজিস্ট্রার (আইন ও এস্টেট) জনাব মোহাম্মদ জোবায়ের হোসেন।
চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছর চুয়েটের যন্ত্রকৌশল অনুষদভুক্ত তিনটি বিভাগ ও বিটাকের টিটিআই প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D), ইনোভেশন ও প্রযুক্তি বিনিময়, শিল্প সমস্যা সমাধানে যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ, উৎপাদন কার্যক্রমে প্রযুক্তির প্রয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আয়োজন, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট প্রভৃতি সুবিধা লাভ করবে।