Home ব্রেকিং চাঁদপুর-২ আসনে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে এমপি নুরুল আমিন রুহুল

চাঁদপুর-২ আসনে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে এমপি নুরুল আমিন রুহুল


আশিক সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সফলতায় এবং জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও সাংগঠনিক কর্মকান্ডে চাঁদপুরের মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় জনপ্রিয়তায় শীর্ষে অবস্থান করছে চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

দলীয় কর্মকান্ড জোরধার এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের বার্তা সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রায় সময়ই গাড়ী অথবা মোটর সাইকেল চালিয়ে একা একা অভিযানে বের হন তিনি। এসময় তিনি প্রান্তিক মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনেন এবং সমাধানের ব্যবস্থা করেন অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল। এতে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের মানুষের ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন তিনি। এখানকার তৃণমূল পর্যায়ের মানুষও খুশি। দ্বাদশ জাতীয় সংদস নির্বাচনের আগেও মাঠে এখন এই একটাই নাম অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল। দলীয় শৃংখলা রক্ষায় মতলবে আওয়ামী লীগের প্রতিটি সংগঠনকে তিনি ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। সপ্তাহে তিনদিন তাঁর নির্বাচনী এলাকায় থেকে মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শোনেছেন, সমাধান করেছেন। এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন সক্রিয়ভাবে।

করোনাকালিন সময়ে নিজ অর্থায়নে ১ লক্ষাধিক পরিবার, দলীয় কর্মী ও কর্মহীন মানুষের মাঝে সহায়তা প্রদান এবং প্রতিটি ঈদে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। এ সময় তিনি মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণের জনগনের পাশে থেকে সহায়তা করার সময় তিনি ৩ বার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন।

অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল এমপি দীর্ঘ ৫ ধরে সংসদ সদস্য হিসাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এলাকার শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, খাবার বিতরণ, মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়নে সহায়তা করা, শিক্ষার উন্নয়নে নাউরী আদর্শ ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন, মানবিক এবং সামাজিক নানা কল্যাণকর কর্মকান্ডের সম্পাদনের কারণে এলাকার জনগণের মাঝে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।

তিনি প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মতলব-গজারিয়া ঝুলন্ত সেতু একনেকে অনুমোদন, ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই উপজেলার দুটি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার, দুই উপজেলায় দুটি দৃষ্টিনন্দন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ষ্টেশন, ৫৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে দাউদকান্দি-ছেংগারচর মহাসড়ক, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প বেড়িবাঁধ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ৩৪৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প, উপজেলার প্রায় সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৪তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মিত করেন, মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, নদীশাসন প্রকল্পের আওতায় মেঘনা-ধনাগোদা নদীর তীর রক্ষা, কালিপুর বাজারে আধুনিক মার্কেট নির্মাণ’সহ বিভিন্ন বাজারের উন্নয়নকরণ, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের ভবন নির্মাণ, কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণসহ স্বাস্থ্যসেবায় পরিবর্তন এনেছেন।

চরাঞ্চলে সাব মেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করে চরবাসীর দীর্ঘদিনের আশা বাস্তবায়ন করেছেন।

গত পাঁচ বছরে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়াও আরো ৫ হাজার কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিন উপজেলার ৩টি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়নের মানুষ শান্তিতে দিনযাপন করেছেন। বৃহত্তর মতলবে আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুলকে শান্তিরদূত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

তিনি চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরপরই মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধে ডিও লেটার দিয়ে মেঘনা নদীর মতলব সীমানায় বালু উত্তোলন বন্ধ করেন।

প্রতি বছর নিজ তহবিল হতে দলীয় কর্মীসহ অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, কন্যাদায়গ্রস্ত বাবার মেয়ের বিয়েতে অর্থ সহায়তা প্রদান, গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তাসহ মানুষের যে কোনো বিপদে নুরুল আমিন রুহুল কাজ করে যাচ্ছেন।

মতলবের জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বতর্মান আওয়ামলীগ সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আস্থা অজর্ন করেছে এখানকার তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ। দিনদিন এই সংগঠনটির ভিত মজবুত হয়ে উঠেছে এখানকার গ্রাম পর্যায়েও। প্রতিটি গ্রামেই রয়েছে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ব্যাপক তৎপরতা। উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জননেত্রী শেখ হাসিনার গ্রাম ও শহরের ব্যবধান কমানোর ঘোষিত সফলতার ১ম ধাক্কা লেগেছে মতলবে। আর তা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ সৈনিক বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুলের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের বদৌলতে। মতলবের তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। এখানকার প্রতিটি ওয়ার্ডে ও গ্রামে রয়েছে আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের কমিটি। উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও শতভাগ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও গজরা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদ উল্যাহ প্রধান বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক জাতীয় সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুল। স্কুল থেকে ছাত্রলীগ করা এ নেতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি দাযিত্ব পালনের মধ্যদিয়ে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সমন্বয় করে গত পাঁচ বছর উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন। তিনি দলকে তৃণমুল পর্যায়ে সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. লিয়াকত হোসেন বলেছেন, মতলব দক্ষিণ আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে গেছেন বঙ্গন্ধুর আদর্শের সৈনিক নুরুল আমিন রুহুল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে উপজেলার প্রতিটি গ্রামে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠনকে বিস্তৃত করেছেন তিনি।

দলীয় কার্যক্রম জোরদার করার কারনেই তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন হবার সুযোগ লাভ করে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে বিজয়ের মালা পড়ছেন। দিনদিনই তিনি তাঁর দক্ষতা, প্রজ্ঞা, মেধা ও তরুণ নেতৃত্বে জনমানুষের প্রিয় নেতা হয়ে উঠছেন। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

এ ব্যাপারে জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার আহবাণে সাড়া দিয়ে দলকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে মতলবের প্রতিটি ঘরে ঘরে। এখানকার প্রতিটি গ্রামে ও ওয়ার্ডে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এখন চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। সংগঠনের নেতাকর্মীদের শক্ত অবস্থানের কারনে নৌকা প্রিয় মানুষের সমর্থনে এখানে বারবার নেীকার বিজয় হয়েছে।

বিগত দিনের মতো আগামী নির্বাচনেও নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামীলীগের বিজয় অর্জন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবে মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণবাসী বলে আমার বিশ্বাস।