পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ অনুদান ও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাছে ডিএসসিসির ঈদ অনুদান হস্তান্তর করলেন ডিএসসিসি প্রশাসক

 

ঢাকা, ১৭ই মার্চ ২০২৬ ( মঙ্গলবার):

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এঁর পক্ষ থেকে ডিএসসিসি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিকট এবং ডিএসসিসির নিজস্ব তহবিল হতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিকট পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অনুদান হস্তান্তর করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম আজ নগর ভবনে পৃথক দুটি অনুষ্ঠানে এই অনুদান হস্তান্তর করেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সম্মান ও সহমর্মিতা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ১৫ মার্চ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকগণের কাছে অনুদানের চেক তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মোট ৪,৯৫০ (চার হাজার নয়শত পঞ্চাশ) জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অনুকূলে জনপ্রতি ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা করে মোট ২,৪৭,৫০,০০০/- (দুই কোটি সাতচল্লিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। আজ নগর ভবনে ডিএসসিসি প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাছে বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে দেন।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্য প্রশাসক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যেমন আপনাদের কাছে ঈদ উপহার তুলে দিয়েছেন, ঠিক তেমনি আপনাদের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি উপহার দেওয়া।”

পৃথক অনুষ্ঠানে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৮৭০ জন ইমামকে জনপ্রতি ৩০০০/- (তিন হাজার) টাকা এবং ১৮৭০ জন মুয়াজ্জিনকে জনপ্রতি ১৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) টাকা করে মোট ৮৪,৫০,০০০/- (চুরাশি লক্ষ পনের হাজার) টাকা ঈদ অনুদান হিসাবে হস্তান্তর করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব তহবিল হতে এ অনুদান প্রদান করা হয়।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক বলেন, “নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিধনে নাগরিকদের সু-অভ্যাস গড়ে তুলতে ইমামদের নেতৃত্ব দিতে হবে।” এ সময় তিনি পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে জনমত তৈরি করতে সুশীল সমাজের অন্যতম অংশ হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রার্থনা করেন।

ঈদ অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মোঃ মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।




এনএসইউতে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার প্রেক্ষাপট নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা

ঢাকা, ৯ মার্চ ২০২৬: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিস একাডেমিকস (বিএসপিইউএ)-এর যৌথ উদ্যোগে আজ নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট হলে “রাউন্ডটেবিল ডিসকাশন অ্যান্ড ইফতার ২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল “Higher Education Landscape of Bangladesh: Contemporary Thoughts”

এই আয়োজনে নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।

রাউন্ডটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বিবি হাজ্জাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ, এবং এনএসইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও বিএসপিইউএ’র সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ এ. সোবহানী

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিবি হাজ্জাজ দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতির চাহিদা মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তা এবং একাডেমিক উৎকর্ষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন,
“আমাদের প্রমাণভিত্তিক নীতিমালা প্রয়োজন। একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের কথা আমাদের শুনতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সবুর খান বলেন,
“বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন দেশের উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তবে উচ্চশিক্ষার বিস্তারে শিক্ষার সকল স্তরকেই শক্তিশালী করতে হবে। শিক্ষা খাতে নীতিমালা তৈরিতে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”

বেনজীর আহমেদ বলেন,
“বিশ্বের অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত। তাই সরকারকে আর্থিক সহায়তা, সহায়ক নীতিমালা এবং অনুকূল নিয়ন্ত্রক পরিবেশের মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সমর্থন করা উচিত।”

এনএসইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন,
“বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাত দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর আরও জোর দিতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ফরিদ এ. সোবহানী বলেন,
“উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য শিক্ষাবিদদের মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের আলোচনার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ খুঁজে নিতে পারি। টেকসই অগ্রগতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়, নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।”

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আলোচনা শেষে উপস্থিত শিক্ষাবিদ ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মুক্ত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আলোচনা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়নে কার্যকর নীতি ও কৌশল নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।




হৃদয়ের বন্ধন–৯৬ ব্যাচের উদ্যোগে এতিমদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

সংবাদ:
হৃদয়ের বন্ধন–৯৬ ব্যাচ গ্রুপের আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এতিমদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) তেজগাঁওয়ের সংসদ এভিনিউ এলাকার ১৭/১ মনিপুর পাড়ায় অবস্থিত তরিকিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এতিমখানার এতিম শিশু ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে এসএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের পক্ষ থেকে এতিম ও মাদ্রাসা ছাত্রদের জন্য ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি তাদের মাঝে টি-শার্টও বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে হৃদয়ের বন্ধন–৯৬ ব্যাচের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




পপুলার লাইফের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের উদ্যোগে কোম্পানির সেমিনার কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি. এম. ইউসুফ আলী।

আলোচনা সভায় তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সমতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে কোম্পানির নারী কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নন্দন ভট্টাচার্য, সিনিয়র ডিএমডি আলমগীর ফিরোজ রানা, মো. নওশের আলী নাঈম ও মো. আবু তাহের, ডিএমডি মো. মোহাম্মদ এনামুল হক, নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান এবং মহাব্যবস্থাপক ফেরদৌসী বেগমসহ কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়




কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে ড. শাহ মোঃ সেলিম একজন যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্ব

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন দেশের একটি প্রথম শ্রেণির সিটি কর্পোরেশন, যা ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও নাগরিক সচেতনতার দিক থেকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লার মতো গুরুত্বপূর্ণ নগরীর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন একজন উচ্চশিক্ষিত, সৎ, নিষ্ঠাবান, কর্মঠ, দূরদর্শী ও দক্ষ সংগঠক—যিনি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই সকল গুণাবলীর সমন্বয়ে ড. শাহ মোঃ সেলিম নিঃসন্দেহে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বলে কুমিল্লা বাসী মনে করেন।
ড. শাহ মোঃ সেলিম ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াস্থ American World University থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৯৮০-৮১ শিক্ষাবর্ষে তিনি স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পূর্বে তিনি কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষাজীবন মেধা, অধ্যবসায় ও নেতৃত্বগুণের উজ্জ্বল স্বাক্ষর বহন করে।
১৯৫৮ সালের ৫ এপ্রিল কুমিল্লা সদর উপজেলার যশপুর, কালিবাজার গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ঠাকুরপাড়ায় বসবাস করছেন। তাঁর পিতা মরহুম ইঞ্জিনিয়ার সুজাত আলী ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, বাংলাদেশ রেলওয়ে । তাঁর সহধর্মিণী ড. জে. এন. লিলি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং কুমিল্লা মহিলা কলেজের নির্বাচিত ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পেশায় অধ্যাপনা করেন। একটি শিক্ষিত ও আদর্শ পরিবারে বেড়ে ওঠা ড. সেলিমের ব্যক্তিত্ব ও মূল্যবোধ গঠনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৬৯-৭০ সালের গণআন্দোলন এবং কুমিল্লায় উচ্চশিক্ষা বিস্তারের দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০-৭১ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তিনি জাসদ ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং ১৯৭২-৭৫ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা কোতোয়ালী থানা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ তিনি গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন।
১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আহ্বানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (যুবদল)-এর কুমিল্লা জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে বিএনপির কুমিল্লা জেলা প্রচার সম্পাদক হন। ১৯৭৮-৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ছাত্রনেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি একজন তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন এবং ১৯৮০ সালে চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৮৩ সালে কুমিল্লায় বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৮৫ সালে যুবদলের নির্বাচিত সভাপতি হন। ১৯৮৩-১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৮২ সালের ২৫ এপ্রিল তিনি স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে কারাবরণ করেন।
১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত কুমিল্লার বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থীদের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ দলীয় কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখে।
বিগত বছরগুলোতে তিনি  সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং বিগত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন কুমিল্লা সহ বিভিন্ন স্থানে এবং তিনি সাবেক হুইপ এবং বর্তমান এমপি জনাব মহিরুল হক চৌধুরীর সাথেও  বিভিন্ন আন্দোলনে ভূমিকা রাখেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে ড. শাহ মোঃ সেলিমের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮০ সালে কুমিল্লায় একটি সরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) প্রতিষ্ঠার দাবিতে তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন, যার ফলশ্রুতিতে কুমিল্লায় ম্যাটস প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া কুমিল্লায় একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। ২০০৩ সালে তিনি বেসরকারি উদ্যোগে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে “ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ” প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বহু শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
শুধু শিক্ষা নয়, কুমিল্লার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তাঁর অবদান ব্যাপক। তিনি কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন, কচিকাঁচার মেলা, নজরুল পরিষদ, কুমিল্লা টাউন হল, কালচারাল কমপ্লেক্স, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
ড. শাহ মোঃ সেলিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন “ইউনিভার্সিটি ক্লাব কুমিল্লা”-র সম্মানিত সভাপতি। তাঁর নেতৃত্বে ক্লাবটি স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রশংসা অর্জন করেছে।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় তিনি একজন দক্ষ সংগঠক, প্রজ্ঞাবান ও দূরদর্শী নেতা। সম্প্রতি কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন  ও সমাবেশে  তাঁর নেতৃত্ব ছিল সুসংগঠিত ও কার্যকর। কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকা সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, ড. শাহ মোঃ সেলিমের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা তাঁকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে একটি যোগ্য ও সময়োপযোগী পছন্দের প্রার্থী হিসেবে   শহরের হোটেল রেস্তরাঁ, পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে  সাধারণ চায়ের দোকানসহ সর্বত্র  শাহ সেলিমের নাম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে।  তাঁর নেতৃত্বে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং কুমিল্লা নগরীর আধুনিকায়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে—এমন প্রত্যাশাই এখন  কুমিল্লা বাসীর।



নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত

ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং এনএসইউ ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। এছাড়া ইউনিভার্সিটির অডি-৮০১-এ এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব আজিজ আল কায়সার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান জনাব বেনজীর আহমেদ; মুখ্য আলোচক এনএসইউ’র ইতিহাস ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এনএসইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী। এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনএসইউ’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার উদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রব খান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন এনএসইউ’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার উদ্দিন আহমেদ।
মুখ্য আলোচক ড. সলিমুল্লাহ খান বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “ভাষা জ্ঞান অর্জনের উপকরণ। তবে এটি শুধুমাত্র জ্ঞান ও যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটি পরিচয়েরও একটি মাধ্যম। বাংলার পাশাপাশি অন্য ভাষা চর্চাকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে, তবে তা আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে কম গুরুত্ব দিয়ে নয়।”
বিশেষ অতিথি জনাব বেনজীর আহমেদ বলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। আমাদের ভাষা আন্দোলনের ভ্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমরা আশা করি, নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষার মর্যাদা ও চেতনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
প্রধান অতিথি জনাব আজিজ আল কায়সার বলেন, “ভাষা চর্চার বিষয়। বাংলা ভাষাকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের নিয়মিত ভাষা চর্চা, গবেষণা ও সৃজনশীল কাজ বাড়াতে হবে। মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার ও সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন ভূমিকা
রাখতে হবে।”
এনএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “আমাদের মাতৃভাষাকে কোনোভাবেই কম গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। ভাষা আমাদের একত্রিত করে, বিভক্ত করে না। বিশ্বের অনেক জাতি নিজেদের ভাষায় জ্ঞানচর্চা ও গবেষণা করে উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে৷ জাতি হিসেবে আরও এগিয়ে যেতে আমাদের বাংলা ভাষায় শিক্ষা, গবেষণা ও সৃজনশীল কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এনএসইউ’র কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রব খান।




ভাষা আধুনিক হবে বিকৃত নয়: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ‘টেলিভিশন ও বিভিন্ন আলোচনায় বাংলা বিকৃত হচ্ছে। বানান ও ব্যাকরণের চর্চা কমে যাচ্ছে। ভাষা আধুনিক হবে, কিন্তু বিকৃত হওয়া উচিত নয়।’

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকা-এ শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, প্রথম ভাষা হিসেবে এর গুরুত্ব অটুট। তবে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে কোন ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, সেটিও ভাবার সময় এসেছে।’

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ইংরেজি দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও মাদরাসায় আরবি ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। সেখানে ইংরেজি ও বাংলার সমন্বয় কার্যকরভাবে হয়নি।

ভাষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইংরেজি, উর্দু বা আরবিতে স্বপ্ন দেখি না, স্বপ্ন দেখি বাংলা ভাষায়। চিন্তা, জ্ঞান বিতরণ, অনুভব সবকিছুর শুরু মাতৃভাষা দিয়ে।” তিনি আরও বলেন, “বিদেশে ইংরেজিতে কথা বললেও মনের ভেতর অনেকে বাংলাতেই ভাবেন।’

শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশে প্রায় ৬৫টির বেশি ভাষা রয়েছে, সেগুলোও সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি পাঠ্যক্রম প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র মিলিয়ে ২০০ নম্বর, ইংরেজিতেও ২০০ নম্বর। শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ পড়ছে কি না, তা বিবেচনা করতে হবে। কোন বিষয়ে কোন ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেটাও নির্ধারণ করা জরুরি।’

হাইকোর্টের রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় যদি বাংলায় হতো, সাধারণ মানুষ আরও ভালোভাবে বুঝতে পারত। ইংরেজি থেকে বাংলায় রূপান্তর নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা রয়েছে, সেগুলো সমাধান করতে হবে।’

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা ভাষার মাধ্যমেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাই সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করতে ভাষার মর্যাদা রক্ষা জরুরি।’

আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মানুষ মাতৃভাষা হিসেবে বিভিন্ন ভাষা ব্যবহার করে। সেগুলো সংরক্ষণ জরুরি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দায়িত্ব আমাদের ওপর বর্তেছে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে




Building a stress-free personal life through financial literacy

Financial literacy is essential because it provides individuals with the tools to manage their finances effectively. In a country like Bangladesh, where many people still depend on informal financial systems, the ability to make informed financial decisions can significantly improve one’s standard of living.

Financial literacy is the ability to understand and manage personal financial behaviour. It encompasses knowledge about budgeting, saving, investing, borrowing, and planning for the future. A financially literate person can make informed, responsible decisions regarding money, thereby ensuring their economic well-being. In a world filled with complex financial products and services, financial literacy empowers individuals to navigate financial challenges, avoid pitfalls, and build secure futures.

Despite significant progress in recent years, financial literacy remains limited among a large portion of the Bangladeshi population. According to the Bangladesh Bureau of Statistics’ report on the 2022 Bangladesh Sample Vital Statistics, the literacy rate stood at 76.8 percent.

However, the Financial Inclusion Insights (2018) programme by Inter Media Research revealed that as of December 2023, only around 28 percent of Bangladeshis were financially literate. This means more than 70 percent of the population lacks this fundamental understanding, with only a small fraction demonstrating a good grasp of key financial concepts.

Many individuals, particularly in rural areas, lack access to formal financial education, making them vulnerable to poor financial decision-making. This knowledge gap leads to difficulties in managing personal finances, saving for emergencies, and investing for long-term goals. Female financial literacy rates in rural areas are particularly low.

However, the government and private sector have begun to recognise the importance of financial literacy, and several initiatives have been introduced to raise awareness across different segments of society. Despite these efforts, progress remains slow and uneven, particularly at the individual and household levels.

To translate awareness into meaningful outcomes, financial literacy must be supported by practical, easy-to-follow frameworks that individuals can apply in their daily lives. In this context, a structured approach to personal money management becomes essential for reducing financial stress and building long-term stability.

Ideal model for individual financial behaviour

To manage personal financial behaviour effectively, we can follow the 50-30-20 model. This simple yet effective budgeting technique divides monthly income into three categories:

50 percent – For essentials and basic needs
It is recommended that 50 percent of one’s net monthly income be allocated to essential living expenses. This includes costs such as education, medical, housing, utilities, groceries, transportation, healthcare, and other fundamental needs. By ensuring this allocation remains within half of one’s income, individuals can avoid financial strain and maintain a stable lifestyle.

30 percent – For personal desires and lifestyle choices
The next 30 percent of one’s salary can be directed towards lifestyle and discretionary spending—this includes entertainment, dining, hobbies, travel, and other personal aspirations. This component allows individuals to enjoy the fruits of their labour while maintaining financial control.
A progressive addition to this segment could be the allocation of 1 percent towards charity or humanitarian causes. Such contributions, though small, instil a sense of social responsibility and collective well-being, forming part of a holistic approach to personal finance.

20 percent – For savings, security, sustainability and investment
The final 20 percent, arguably the most critical component of the 50:30:20 model, is earmarked for savings, long-term financial growth, safety, security, sustainability, and investment. This segment requires strategic allocation and can be broken down further into a 10:5:5 structure, enabling more targeted financial planning:

10 percent – For savings
Regular savings through banking institutions help build an emergency fund and ensure liquidity for unforeseen expenses.

5 percent – For financial security and sustainability
Investing in insurance (life, health, etc.) offers a safety net against risks, contributing to financial resilience.

5 percent – For investments for growth
This portion can be channelled into wealth-building avenues such as mutual funds, equity markets, real estate, gold, or other asset classes. The goal here is capital appreciation and long-term prosperity.

This nuanced approach to individual financial planning not only strengthens present-day financial stability but also lays a structured path for future economic empowerment. The 50:30:20 model, with its strategic subdivision, reflects an individual’s awareness and responsibility towards both their current lifestyle and future goals.

It’s important to note that this model may not be equally applicable across all age groups. For example, in early adulthood, basic needs might be minimal, while savings and investment capacity will be higher, which can compound savings over time. As a person ages, their basic needs increase, and their savings and investment capacity may shrink.

Ultimately, financial literacy is not merely about numbers or financial products; it’s about building confidence, discipline, and balance in everyday life. A financially literate individual is better equipped to manage income, withstand economic shocks, and make informed choices that align with both immediate needs and long-term aspirations.

In a country like Bangladesh, where household-level financial decisions collectively shape national economic resilience, promoting practical financial literacy can significantly reduce personal financial stress and enhance overall well-being.

By adopting simple, adaptable models such as the 50:30:20 Individual Financial Behaviour Model and adjusting them across different life stages, individuals can cultivate sustainable financial habits that support a stress-free, secure, and empowered personal life.

The author is the Head of Retail Distribution Division and the Chief Bancassurance Officer at Midland Bank PLC.




বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ এমপি নির্বাচিত হওয়ায় বিআইএফ’র শুভেচ্ছা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ)’র প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ) । বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিআইএ কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ)’র প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ)’র কার্যনির্বাহী সদস্য ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম ইউসুফ আলী।

এ ছাড়াও ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী আবুল কালাম আজাদ, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী মো. কাজিম উদ্দিন, বিআইএফ’র  সেক্রেটারি জেনারেল ও সেনা ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. শফিক শামীম পিএসসি (অব.);

জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী ও বিআইএ’র নির্বাহী সদস্য এস এম নুরুজ্জামান, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মুন্সী মো. মনিরুল আলম;

সাংগঠনিক সম্পাদক ও রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী ড. একেএম সারোয়ার জাহান জামীল, অফিস সেক্রেটারি ও স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী আবদুল মতিন সরকার, নির্বাহী সদস্য ও এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী মো. ইমাম শাহীন, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কাজী মোকাররম দস্তগীর;

ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী বায়েজিদ মুজতবা সিদ্দিকী, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী মুহাম্মদ নুরুল আলম চৌধুরী, নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী চৌধুরী গোলাম ফারুক এবং প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী মো. সামছুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




ড. এহছানুল হক মিলনের হাতে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়

কল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক সফল শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। কে হচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী – তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে দেশব্যাপী নানা গুঞ্জন চলছিলো। ড. মিলন দায়িত্ব পাওয়ায় সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটলো। সদ্য গঠিত মন্ত্রিসভায় তিনি একক হাতে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয় সামলাবেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। শপথের পরপরই ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি জানা যায়। বিএনপির মিডিয়া সেলের তালিকাতেও ড. মিলনের নামের সঙ্গে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের নাম আছে।

এর আগে আজ সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। তখন মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়ার তথ্য ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং তাঁর স্ত্রী ও জাতীয়বাদী মহিলা দলের নেত্রী নাজমুন নাহার বেবি দৈনিক আমাদের বার্তাকে খরবটি নিশ্চিত করেছিলেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। তিনি পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নসর আশরাফী পান ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। ১১০টি ভোটকেন্দ্রের সবগুলোর ফল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নকল প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় নকলবিরোধী অভিযান জোরদার হয় এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে আসে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার মানোন্নয়ন, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষায় আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেবেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি পাঠ্যক্রম বাস্তবায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানা গেছে।

দায়িত্ব পাওয়ার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ড. মিলন বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে তিনি সবার সহযোগিতা চান। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক, মানবিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান লক্ষ্য।

২০০১-২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে বিএনপি জোট সরকারের আমলে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এই সরকারের আমলেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই সংস্থাটি প্রথমে শুধু শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিতো। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে এনটিআরসিএ শিক্ষক শূন্যপদে নিবন্ধন সনদধারীদের সুপারিশের দায়িত্বও পায়। এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশে স্বচ্ছতা আসে।

এ ছাড়াও ড. মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকার সময় পুরানো বিভাগ বা শ্রেণি (১ম, ২য়, ৩য়) পদ্ধতি রহিত করে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে জিপিএ-সিজিপিএ পদ্ধতি চালু করা হয়েছিলো। ২০০১-২০০৩ সময়কালে মাধ্যমিক পর্যায়ে জিপিএ পদ্ধতি চালু হয়েছিলো। পরে এই পদ্ধতি সংস্করণ করা হয়েছিলো।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভ. ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন।

এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন।

২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

মিস্টার মিলন ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের সাধারণ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।

২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।