ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ‘ গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি’ অনুষ্ঠিত

ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের (ডিটিআই) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অর্জন ও সাফল্য উদযাপনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন ২০২৬’। আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজার৭১ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের ায়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিইবি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনয়িার মোঃ রুহুল আমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও ড্যাফোডিল গ্রæপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের (ডিটিআই) এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক ( শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ সমন্বয়) ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলাউদ্দিন, ও ড্যাফোডিল গ্রæপের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্ত ইন্সটিটিউশনসমূহের নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস ।
এবারের গ্রাজুয়েমন সেরিমনিতে ১৫০ জন ডিপ্লামা ডিগ্রীধারী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে মেধা তালিকায় সেরা ২০ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোল্ড মেডেল এবং ০১ জনকে চেয়ারম্যান এওয়ার্ড প্রদান করা হয় ও ২জন শিক্ষার্থীকে সফল এলামনাই এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির ফরিদা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনির মধ্য দিয়ে শেষ হলো আপনাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। এখন আপনাদের অর্জিত শিক্ষা দেশ ও দশের কল্যাণে কাজে লাগানোর পালা। আপনাদের অর্জিত শিক্ষা সমাজ ও দেশের কোন কাজে না আসলে সেটা হবে একটা অনেক বড় অন্যায় এবং আপনাদের বাবা মা, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার একটা বিরাট অপচয়। সুতরাং, আজ আপনারা প্রতিজ্ঞা করুন, আপনারা যা পেয়েছেন, তার বহুগুণ দেশকে ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন, দেশকে ভালবাসবেন, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবেন। সেই সাথে নতুন বাংলাদেশ গঠনেও অবদান রাখবেন। আর তা সম্ভব কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমে। কারগরি শিক্ষার উন্ননয়নের মাধ্যমে কোন দেশ যে উন্নতির চরম শিখরে পৌছতে পারে ডার উদাহহরন চীন।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, আগামীর বাঙলাদেশ হবে দক্ষতার বাংলাদেশ। এ মূহূর্তে দেশে এবং বিদেশে বিশেষ করে জাপানে প্রচুর কাগিরি দক্ষ লোকের চাহিদা রয়েছে তিনি বলেন, আমরা জাতি হিসেবে সৌভাগ্যবান যে, আমাদের ৬৫% ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রচুর দক্ষ জনশক্তি তৈরী করে এ চাহিদা মেটাতে পারি।
ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট শিক্ষা ব্যবস্থায় উদ্ভাবনকে অনুঘটক মনে করেছে এবং এর একাডেমিক সিস্টেমের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করেছে। আমরা আধুনিক ফ্ল্যাগশিপ ইন্সটিটিউট হিসেবে বিকাশের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, অ্যাক্সেস এবং ইক্যুইটির প্রতি নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠান এবং উল্লেখযোগ্যভাবে শিক্ষাদান, শেখার, গবেষণার মান এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক চাহিদা মেটাতে কাজ করে যাচ্ছে।” এ প্রতিষ্ঠান। তিনি আরও বলেন, একটি জেড জেনারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তামূলক পরিষেবা এবং সুবিধাগুলিতে অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে আমরা একটি ব্যাপক শিক্ষামূলক ইকো সিস্টেম তৈরি করার চেষ্টা করছি।




সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ এবং অ্যালামনাইদের সম্মাননা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ওরিয়েন্টেশন ও প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির নবীন শিক্ষার্থীদের ইউনিভার্সিটি জীবনের নতুন অধ্যায়ের সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কৃতিত্ব অর্জনকারীর মধ্য থেকে ২৭ জন অ্যালামনাইকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবদুল আজিজের সভাপতিতত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে সালমা, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের উপদেষ্টা আজিজুল বারী (শীপু) ও মীর আবদুল আলিম। এ সময় আরও ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর শামিম আরা হাসান, উপ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর বুলবুল আহমেদ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ একরামুল ইসলামসহ সকল বিভাগের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাগণ ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃত্য, সংগীতসহ বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের ইউনিভার্সিটি জীবনের নতুন যাত্রাকে আনন্দময় ও স্মরণীয় করে তুলতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।




বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের ২১তম সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) ২১তম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কাউন্সিলের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কাউন্সিলের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান, পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আখতার হোসেন খান

সভায় কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য মোঃ এমদাদুল হক, প্রফেসর ড. আহমেদ আব্দুল্লাহ জামাল, প্রফেসর ড. মোঃ শাহ এমরানপ্রফেসর ড. মোঃ ওয়াকিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া খণ্ডকালীন সদস্য প্রফেসর মোঃ মেহেদী হাসান খান, ড. মোঃ সবুর খান এবং অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সভায় উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মনোনীত খণ্ডকালীন সদস্য মোঃ মাহবুবুল হক পাটোয়ারী জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

সভাটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সচিব প্রফেসর এ.কে.এম. মুনিরুল ইসলাম

সভায় প্রথমে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ২০তম কাউন্সিল সভার কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। একই সঙ্গে ওই সভায় গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

এ সময় EQA (External Quality Assessment)-এর বিভিন্ন প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ ও অনুমোদন, জনসংযোগ শাখা সংযুক্তকরণসহ কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কার্যক্রমের পরিধি আরও বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমকে গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দেশের উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণে কাউন্সিলের কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভা শেষে কাউন্সিলের সদস্যরা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর-এর সাথে আইসিএসবি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঢাকা,৩সেপ্টেম্বর২০২৬:ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)-এর প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান এফসিএস -এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব মোঃ মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএ -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে আইসিএসবি প্রেসিডেন্ট প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি করপোরেট খাতে পেশাদারিত্ব, করপোরেট গভর্ন্যান্স, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইসিএসবি’র বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগ সম্পর্কে গভর্নর মহাদয়কে অবহিত করেন।

তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগে আইসিএসবি’র পেশাগত দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের বিষয়ে ইনস্টিটিউটের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ সময় আইসিএসবি প্রেসিডেন্ট গভর্নর মহাদয়ের সদয় বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইসিএসবি’র মতো পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সর্বোত্তম চর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আইসিএসবি প্রতিনিধিদলের বক্তব্য ধৈর্যসহকারে শোনেন এবং প্রতিনিধিদলকে তার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের আশ্বাস দেন।

আইসিএসবি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মহাদয়কেতার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার অব্যাহত সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা ইনস্টিটিউটকে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে আরও এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জনাব জনাব মোঃ সরোয়ার হোসেন;নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং আইসিএসবি-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম এফসিএস, ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ শরীফ হাসান এফসিএস, ট্রেজারার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান এফসিএস, কাউন্সিল সদস্য জনাব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ্‌ আল মামুন এফসিএস, জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির এফসিএস, জনাব মোহাম্মদ হারুন আর রশীদ এফসিএসএবং সেক্রেটারী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাব্বিরুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।




বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

 

আজ দুপুরে ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মীর সরফত আলী সপু ও সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাজহারুল হক সোহাগের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব কামরুজ্জামান রতন এমপি, সাবেক ভিপি মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, সাবেক ভিপি মো: হারুনর রশীদ, সাবেক ভিপি জেড মোর্তজা তুলা, সাবেক জিএস মো: জাকির হোসেন, সৈয়দ এ এিম এম জাবেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান বানী ও ট্রেজারার আবদুল হামিদ, নির্বাহী সদস্য এডভোকেট এমদাদ হোসেনসহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষক হিসেবে স্মৃতিচারণ করে বলেন, এক সময় ঢাকা কলেজ দেশের সর্বোৎকৃষ্ট বিদ্যাপীঠ ছিল। দেশের রাজনীতি, নেতৃত্ব, লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, প্রশাসক ও আলোকিত মানুষ তৈরিতে ঢাকা কলেজ বিশাল অবদান রেখেছে।

ঢাকা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্দ আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেন।

ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে দেশের জনগণের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য ও সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফল রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানায়।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা কলেজের অতীতের গৌরবময় ঐতিহ্য ও উৎকর্ষ ফিরিয়ে আনার জন্য কলেজের ছাত্র-শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য ১৮৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উপস্থিত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতির সচিববৃন্দ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন




জাতীয় প্রেস ক্লাবে কবিতাপত্র পরিষদের আলোচনা ও কবিতা পাঠের আসর

জাতীয় প্রেস ক্লাব কবিতাপত্র পরিষদের মাসিক কবিতা পাঠের আসর ৩১ আগস্ট সোমবার বিকেলে ক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন কবিতাপত্র পরিষদের সম্পাদক কবি শাহীন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সিনিয়র সাংবাদিক রাজু আলীম। শুরুতে ‘বাংলা কবিতায় শরৎ’ শীর্ষক আলোচনা করেন কবি ও ছড়াকার আতিক হেলাল।
কবিতাপত্র পরিষদের অন্যতম নির্বাহী সম্পাদক কবি মোশাররফ হোসেন ইউসুফ ও কবি আতিকুল ইসলামের উপস্থাপনায় স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন- কবি নাজমুল হাসান, কবি কামার ফরিদ, ডক্টর মুস্তাফা মজিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ আবদুল মজিদ, আবাম ছালাউদ্দিন, মিলি হক, আবদুল মান্নান, বজলুর রায়হান, ডক্টর কল্যাণ চক্রবর্তী, জয়নুল আবেদীন জয়, রফিক হাসান, ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, মজিদুর রহমান বিশ্বাস, লিলি শেঠ, রীনা পন্ডিত, শহীদুল জয়, শিবুকান্তি দাশ, কবীর হুমায়ুন, লিলি হক, ফারহানা তানিয়া, হিমেল ইসহাক, খান কাওসার কবির, এস এম কাওসার, চান মিয়া চান্দু, মনিরুজ্জামান, ইসমত আরা, শিমুল পারভীন, সবুজ মনির, আতিকুজ্জামান খান, ইলোরা সোমা, রফিক ফরায়েজী, তৌহিদুল ইসলাম কনক, বিমল সাহা, আশফাকুজ্জামান, বিথী কবির, ওসমান গনি, মেহেজাবীন হক, রফিক চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন ইসমী, রবিউল আলম রবি, শামীমা নাসরিন, জাফর পাঠান, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌসী, মজিবর রহমান, এলিজা রহমান, গোলাম মাওলা, নাসির ফরহাদ প্রমুখ।




ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে জাইকার প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর প্রতিনিধি মি. নিশি রিজুকির নেতৃত্বে ৬- সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধিদল আজ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছে। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন কুমামতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সুয়োশি উসাগাওয়া, জাইকার মানব উন্নয়ন বিভাগের সিনিয়র উপদেষ্টা ড. উসাগাওয়া সুয়োশি, সায়েরি মুতো, মোচিজুকি হিরোশি এবং ওতানি অনরি।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মেসী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন মো. তারিক, সেন্টার ফর এ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল ইসলাম তালুকদার, ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাকির আহমেদ চৌধুরী, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শায়লা কবির, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিমুল হালদার, রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সুগত আহমেদ এবং জনসংযোগ অফিসের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠককালে তাঁরা জাইকার অর্থায়নে ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা সহায়তায় সম্ভাব্য ইয়েন ঋণ প্রকল্প’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করেন। জাইকা প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন। গবেষণা দক্ষতার উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রেও তাঁরা সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আরও যৌথ সহযোগিতামূলক একাডেমিক ও গবেষণা কর্মসূচি গ্রহণ এবং আঞ্চলিক ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার ওপর তাঁরা গুরুত্বারোপ করেন। জাইকা প্রতিনিধিদলের প্রধান এ বিষয়ক প্রকল্পের একটি খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এই প্রকল্প গ্রহণের জন্য জাইকা প্রতিনিধিদলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম উন্নয়নে জাইকার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসী এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো গবেষণাগারভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে জাপানের কাছ থেকে আমাদের আরও সহায়তা প্রয়োজন। কার্যকরভাবে গবেষণা পরিচালনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ যৌথ কর্মসূচি গ্রহণে তিনি জাইকার সহযোগিতা চান। সেন্টার ফর এ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস-সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণে তিনি জাইকার আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেন।



জেনিথ ইসলামী লাইফের বীমা সেবার আওতায় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার ২১১ জন শিক্ষার্থী বর্তমানে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির গ্রুপ ও স্বাস্থ্যবীমার আওতায় রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের জীবন ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিপরীতে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত ও সহজে বীমা সেবা দিতে প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানি।

বীমা সুবিধার আওতায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ হাজার ৬৪৩ জন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ হাজার ৭৭১ জন এবং সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ হাজার ২৪৮ জন রয়েছেন। এ ছাড়া রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর ৬ হাজার ৪৭ জন এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ৪ হাজার ৫০২ জন শিক্ষার্থী এ বীমা সুরক্ষার আওতায় রয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের বীমা দাবি প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে জেনিথ ইসলামী লাইফ চালু করেছে ‘পেপারলেস ডিজিটাল ক্লেইম ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টা অনলাইনে বীমা দাবির আবেদন করতে পারেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সাত কার্যদিবসের মধ্যে অনলাইন বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দাবি পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।

২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেনিথ ইসলামী লাইফের দাবি নিষ্পত্তির হার সংখ্যার ভিত্তিতে ৯৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং টাকার অঙ্কের ভিত্তিতে ৯৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। দ্রুত দাবি নিষ্পত্তির এ কার্যক্রম গ্রাহকদের বীমা সেবার অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করতে ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এসএম নুরুজ্জামান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বীমা সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত ও সহজে দাবি পরিশোধকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারে বীমা সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে বীমার আওতায় আনার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময়ে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি।”

তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকির সময়ে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বীমা সেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই।”

জেনিথ ইসলামী লাইফের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গ্রুপ বীমা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, “সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও সহজলভ্য বীমা সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসেই বীমা দাবির আবেদন করতে পারছেন। এতে সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি দাবি নিষ্পত্তিতেও সময় কমেছে।”

জেনিথ ইসলামী লাইফ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কোম্পানিটির গ্রুপ বীমা সুবিধার আওতায় রয়েছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে গ্রুপ বীমা সেবার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি আইএসও ৯০০১:২০১৫ সনদপ্রাপ্ত। বর্তমানে কোম্পানিটির মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬৫ কোটি টাকা।

প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ, দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বীমা খাতে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াতে কাজ করছে জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সম্পর্কে

জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি বাংলাদেশের একটি জীবনবীমা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের জীবন ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিপরীতে বিভিন্ন ধরনের বীমা সেবা প্রদান করে। ব্যক্তিগত বীমার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য গ্রুপ বীমা সেবাও পরিচালনা করছে কোম্পানিটি।




মতলব রয়মনেন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত প্রদর্শক আব্দুল হান্নানের ইন্তেকাল

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়া নিবাসী এবং মতলব রয়মনেন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রদর্শক জনাব আব্দুল হান্নান ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর

মরহুম আব্দুল হান্নান দীর্ঘদিন মতলব রয়মনেন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

তিনি এক পুত্র ও দুই কন্যা, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাজার নামাজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বাদ আসর গোরে গরিবা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন জামে মসজিদে (চাঁদপুর) অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে চাঁদপুর পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মতলব রয়মনেন নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে মরহুম আব্দুল হান্নানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে।




পানি ইস্যুতে সিদ্ধান্ত হতে হবে জাতীয় স্বার্থনির্ভর: এনএসইউতে এসআইপিজি-সিইই সেমিনারে ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

ঢাকা, ৩০ আগস্ট ২০২৬: আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনসহ দেশের পানি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বলেন, “বিষয়গুলো কারিগরি হলেও এর সমাধান শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক এবং জাতীয় স্বার্থনির্ভর হতে হবে।”

রোববার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) অনুষ্ঠিত “Transboundary Water Sharing Issues and Padma Barrage” শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারটির আয়োজন করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি) এবং সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (সিইই)। এতে নীতিনির্ধারক, পানি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তা, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি, তিস্তা ইস্যু এবং প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশকে বর্ষা মৌসুমের অতিরিক্ত পানি এবং শুষ্ক মৌসুমের পানি সংকট—উভয় বাস্তবতা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

নদীর পরিবেশগত গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “একটি নদীকে শুধু তার সংখ্যা দিয়ে বোঝা উচিত নয়; বরং তার ইকোসিস্টেম এবং তার সৃষ্ট বিস্তৃত প্রভাবের আলোকে বুঝতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ শুধু একটি প্রকৌশল প্রকল্প নয়; এটি কৃষি, জীবন-জীবিকা এবং দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভবিষ্যতের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি জাতীয় উন্নয়ন ইস্যু।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মানিত বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ। সরকারের পরিবেশগত অগ্রাধিকার, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, বর্জ্য থেকে সম্পদ সৃষ্টি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, “দক্ষ পানি ব্যবহার এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য আন্তঃসীমান্ত পানি বিরোধ প্রশমনের পথ তৈরি করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, পানি বণ্টনের চ্যালেঞ্জগুলোকে নদী অববাহিকার গতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব—উভয় দিক থেকেই বিবেচনা করতে হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যৌথ নদী কমিশনের সাবেক সদস্য ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন। তিনি নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা, জল-অর্থনৈতিক মডেলিং, সুবিধা বণ্টন, দক্ষ পানি ব্যবহার এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত পানি বিরোধ নিরসনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

এসআইপিজি, এনএসইউর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান পানি কূটনীতি ও নীতি বিষয়ে উপস্থাপনা দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট ভারতীয় অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে তোলা এবং ন্যায্য ও সহযোগিতামূলক পানি বণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, “পানিকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে নয়, বরং একটি যৌথ সম্পদ হিসেবে দেখতে হবে।”

পানি বণ্টন আলোচনার ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায্যতা এবং কোনো পক্ষের ক্ষতি না করার নীতিকে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব প্রকৌশলী এ এন এইচ আখতার হোসেন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান।

আলোচকরা প্রকৌশল জ্ঞান, পরিবেশ সুরক্ষা, আইনি প্রস্তুতি, অববাহিকাভিত্তিক পরিকল্পনা ও কূটনীতির সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান বলেন, “প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ দেশের বহুমাত্রিক প্রয়োজন পূরণে পানি নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।” তিনি বলেন, কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা সেচ, কৃষি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সহায়তা করতে পারে।

টাফটস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বিষয়টিকে ‘প্রকৌশল কূটনীতি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, বাস্তবতার সঙ্গে কারিগরি বিশ্লেষণ ও প্রমাণভিত্তিক চিন্তার সমন্বয় প্রয়োজন।

তার ভাষায়, “চুক্তি হলো হিমশৈলের দৃশ্যমান অংশমাত্র; এর নিচে থাকা ধারা, কাঠামো এবং মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”

সেমিনারের সেশনে সভাপতিত্ব করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী। তিনি বলেন, “ভাটির দেশ হিসেবে পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে যখন আমাদের প্রাপ্তি শূন্য বা অপূর্ণ থেকে যায়, তখন নিজেদের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশলভিত্তিক সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পানি সম্পদ জাতীয় কল্যাণে ব্যবস্থাপনা করতে হবে এবং তা টেকসই জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয় তুলে ধরে এনএসইউর সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশে পানি সম্পদ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের হস্তক্ষেপের আগে নদীর মৌসুমি পরিবর্তন, পলি জমা, স্বচ্ছতা এবং বিশেষজ্ঞ মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে।”

সমাপনী বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসআইপিজি, এনএসইউর পরিচালক অধ্যাপক এস. কে. তৌফিক এম. হক, পিএইচডি। তিনি নীতিনির্ধারকদের একাধিক সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় সব ধরনের আলোচনায় আমাদের আরও বেশি সংহতি ও সৌহার্দ্য প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পনা ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং চুক্তি নবায়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে—এমন ধারণার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।

বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জাতীয় প্রস্তুতি, প্রমাণভিত্তিক পানি কূটনীতি, আঞ্চলিক সংলাপ, কারিগরিভাবে যথাযথ নদী ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানের মধ্য দিয়ে সেমিনারটি শেষ হয়।