রাজধানীতে বিএনপি-জামায়াতের অবরোধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

আশিক সরকার : বিএনপি-জামায়াতের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা-৫ আসন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপন।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-৫ আসনের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আহমেদ, ৫০নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি আলো, সাধারণ সম্পাদক ইমন, ৬১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আলেপ হোসেন, ৬১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বদরউদ্দীন ছানা, দনিয়া কলেজ ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি ভাস্কর দে, পদপ্রার্থী বদরউদ্দীন ছানা, দনিয়া কলেজ ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানবির, একে স্কুল ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মল্লিক, ৫০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন, ৬২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মঞ্জু মোরশেদ, ৬১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নাছির হোসেন, ৬২নং ওয়ার্ড গোবিন্দপুর ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব হাসান শ্যামল, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সদস্য মো. বাদল, উপদেষ্টা মো. জাফর, প্রচার সম্পাদক রবি, দপ্তর সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন খান টিপু, কন্টাক্ট ইউনিট আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ রশিদ হাজী মুহাম্মদ রশিদ, ৬২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারও নেতা-কর্মী।




টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর এখন অনেক বেশি অ্যাডভান্সড”-চুয়েট ভিসি (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)—এর ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে “ইটিই ইনফিক্সন ২০২৩” (ঊঞঊ ওহভরীড়হ—২০২৩) শিরোনামে দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে আজ ২৩শে নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) ২০২৩ খ্রি. সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় উৎসবের প্রথমদিনে ইটিই বিভাগের সামনে থেকে এক আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএমই ভবন থেকে পুরকৌশল ভবন, প্রশাসনিক ভবন ও গোল চত্বর হয়ে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন অতিথিবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক—শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা—কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন। এরপর সকাল ১০:৪০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, সাবেক ইটিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়নের অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, সাবেক ইটিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইটিই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আজাদ হোসেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও ইটিই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম। ‘১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী সুপর্ণা সেন, আতকিয়া আনিকা নামী ও ফাহাদ সিদ্দিকী’র যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ইটিই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে ইটিই বিভাগের প্রভাষক জনাব মো. ইব্রাহীম খলিল। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে চুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, সেন্টার চেয়ারম্যান ও অফিস প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে আমরা এখন ৪র্থ শিল্পবিপ্লবের পথে হাঁটছি। টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর এখন অনেক বেশি অ্যাডভান্সড। বৈশি^ক সেই চ্যালেঞ্জের সাথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে ইটিই গ্র্যাজুয়েটদের অবদান রাখতে হবে। মাত্র এক দশকের পথচলায় চুয়েটের ইটিই বিভাগ দারুণ সফলতা দেখিয়েছে। ইটিই বিভাগের অ্যালামনাইরা বিভাগের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। বিষয়টা আমাদের জন্য আশাব্যাঞ্জক। আশা করি বিশ^বিদ্যালয়ের চলমান অগ্রগতিতে এভাবেই অ্যালামনাইরা অবদান রাখবেন।”

প্রেরিত ছবির ক্যাপশন:
ছবি—০১: চুয়েটে ‘ইটিই ইনফিক্সন’ উৎসবের আনন্দ র‌্যালিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।
ছবি—০২: চুয়েটে ‘ইটিই ইনফিক্সন’ উৎসবের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।
ছবি—০৩: চুয়েটে ‘ইটিই ইনফিক্সন’ উৎসবে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।
ছবি—০৪: চুয়েটে ‘ইটিই ইনফিক্সন’ উৎসবে প্রধান অতিথি মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন বিভাগীয় প্রধান।
ছবি—০৫: চুয়েটে ‘ইটিই ইনফিক্সন’ উৎসবে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

 

সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে অনুলিপি প্রেরিত হলো:—
১. পরিচালক, আইআইসিটি, চুয়েট। (বিশ^বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ সহকারে)
২. উপ—পরিচালক (তথ্য ও প্রকাশনা), চুয়েট। (ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়ের সদয় জ্ঞাতার্থে)
৩. পিও টু রেজিস্ট্রার, চুয়েট। (রেজিস্ট্রার মহোদয়ের সদয় জ্ঞাতার্থে)
৪. ক্যামেরাম্যান, তথ্য ও প্রকাশনা শাখা, চুয়েট। (অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ সহকারে)
৫. অফিস কপি/সংরক্ষণ নথি।

ঊঞঊ উধু—২০২৩ ঃরঃষবফ ‘ঊঞঊ ওহভরীড়হ’ পবষবনৎধঃবফ পড়ষড়ৎভঁষষু ধঃ ঈটঊঞ.




ঢাকা- ৮ আসনে নৌকার মনোনয়ন চান আবদুল মতিন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা- ৮ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবদুল মতিন ভূঁইয়া।

আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত।

 

 

মঙ্গলবার বিকেলে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছ থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন ও জমা দেন  তিনি।

আবদুল মতিন ভূইয়া শিশু সংগঠন খেলাঘরে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য। এছাড়া বাংলা একাডেমি আজীবন সদস্য।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৈশোর বয়স থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। মতিঝিলে ৪০ বছর ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করছি। এখন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। এছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছি। ৯০ এর দশকে অবিভক্ত মতিঝিল থানা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বে ছিলাম। শেখ হাসিনা আমায় মূল্যায়ন করবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

আবদুল মতিন ভূইয়া মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদেরও সভাপতি। পাশাপাশি কয়েকটি ব্যবসায়িক সংগঠনেরও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এছাড়া নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী- ১ থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম চেয়েছিলেন।

 




NSU Startups Next Joins Forces with Startup Grind to Foster Entrepreneurial Growth and Innovation

Porikroma Desk : In a groundbreaking development, NSU Startups Next (NSUSN), the prestigious academic incubation platform dedicated to fostering innovation and entrepreneurship, has officially inked a Memorandum of Understanding (MoU) with Startup Grind (Dhaka Chapter). Hailing from Silicon Valley, USA, Startup Grind stands as the globe’s largest community of startups, founders, innovators, and creators, boasting a network of over 600 chapters. This strategic collaboration signifies a momentous milestone for both organizations, as they pool their strengths and networks to propel the Bangladeshi startup ecosystem to unprecedented heights.

The MoU, signed by key representatives of NSU Startups Next and Startup Grind, solidifies their commitment to working together to create a robust and supportive environment for aspiring entrepreneurs and startup enthusiasts. This partnership will facilitate the exchange of knowledge, resources, and best practices, ultimately empowering the next generation of innovators to turn their ideas into successful ventures.

The partnership between NSU Startups Next and Startup Grind will encompass a range of collaborative initiatives, including event coordination and resource-sharing sessions. Additionally, it will provide participants with access to mentorship programs, fostering an environment for continuous learning and growth while also creating avenues for startups to present their ideas on a global stage. Moreover, the collaboration will facilitate networking, enabling entrepreneurs to establish valuable connections, enhance their skill sets, and expedite the expansion of their businesses.

During the event, Mr. Farihan F. Rahman said, “Startup Grind can really support our young founders from NSU. My dream is to take them from here in Bangladesh to the global stage. So, I hope we can do that with NSU Startups Next”. Dr. Zulkarin Jahangir, Director, NSU Startups Next said, “We are at a critical juncture where startup ecosystem players such as university incubators, government, and other support organizations must join hands to create a more resourceful and connected ecosystem, and this affiliation is a step towards that”.

As NSU Startups Next and Startup Grind embark on this collaborative journey, they invite aspiring entrepreneurs, industry experts, investors, and all stakeholders within the startup ecosystem to join hands and contribute to the creation of a dynamic and inclusive environment for innovation and growth.




উত্তাপের ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা

পরিক্রমা ডেস্ক : উত্তাপ ছড়ানো সুপার ক্লাসিকো ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারাল আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন নিকোলাস ওতামেন্দি।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চম মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। আজ বুধবার ব্রাজিলের রিও দে জেনেইরোর ঐতিহ্যবাহী মারাকানা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল সুপার ক্লাসিকোর। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নির্ধারিত সময়ে তা হয়নি।

ম্যাচের আগে ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীত বাজছিল। তবে ঠিক ওই সময় স্ট্যান্ডে দুই দলের সমর্থকরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ দ্রুত ছুটে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিল না। পুলিশের সঙ্গেও লেগে যায় দর্শকদের। জানা যায়, ব্রাজিল জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা দুয়ো দিলে তাদের ওপর আসন ছুড়ে মারতে শুরু করে সেলেকাও সমর্থকেরা। পরে পরিস্থিতি চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

লিওনেল মেসি উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে তার দল এবং মার্কিনিওস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে বেশ খানিকটা সময় অপেক্ষা করে সতীর্থদের নিয়ে মাঠ ছাড়েন। সেসময় ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা অবশ্য ছিলেন মাঠেই। রেফারিদেরও অপেক্ষা করতে দেখা যায়। গ্যালারি ঠাণ্ডা হলে প্রায় আধ ঘণ্টা পর দল নিয়ে মাঠে ফিরেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

মাঠের লড়াইয়েও জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়েরা। শুরুটা হয় রদ্রিগো এবং মেসিকে দিয়ে। একটু পর বাকিরাও সামিল হন। এমনকি খেলা শুরুর পরও একটুও কমেনি এর রেশ। ম্যাচটা যে গোলের এবং গোল করেই জিততে হবে সেটি যেন ভুলেই গিয়েছিলেন খেলোয়াড়েরা। ফাউল এবং কার্ডের ছড়াছড়ি ছিল শুরু থেকে। তবে ফাউল এবং কার্ড দেখায় যেমন ব্রাজিল এগিয়ে ছিল, তেমনি মাঠে বল পায়েও আধিপত্য ছিল ব্রাজিলেরই।

শর্ট পাস এবং নান্দনিক কিছু ড্রিবলিংয়ে মাঝ মাঠ ও অ্যাটাকিং থার্ডে ভীতি ছড়িয়েছেন রদ্রিগো-জেসুসরা। অন্য দিকে ম্যাচ শুরুর আগের ঘটনায় কিনা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার খেলায় ছিল না পরিকল্পনার কোনো ছাপ।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে রাফিনিয়া মাথায় একক প্রচেষ্টায় চমকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে রেফারি অফসাইড পতাকা উত্তোলন করলে থামতে হয় তাকে। ষষ্ঠ মিনিটে রিবাউন্ড থেকে বল পান জেসুস। তিনি চেষ্টা করেন রদ্রিগো দি পলকে ড্রিবল করে এগিয়ে যেতে কিন্তু তার হাত গিয়ে লাগে দি পলের মুখে। ফলাফল ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন জেসুস।

দুই দলের মধ্যে এই ঘটনায় ফের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যেও অবশ্য ব্রাজিল চেষ্টা করে আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরি করতে। তবে ১৩ মিনিটে দি পলকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন রাফিনিয়া। প্রথম ১৮ মিনিটে এদিন ব্রাজিল ফাউল করে ৮টি।

খেলার ২৬তম মিনিটে গিয়ে প্রথমবারের বল পায়ে আক্রমণে দেখা যায় মেসিকে। যদিও সেই আক্রমণে গোলের কোনো সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেননি ইন্টার মায়ামি তারকা। ৩৩ মিনিটে অ্যালিসন বেকারের ট্রেডমার্ক পাস থেকে বল পেয়ে এগিয়ে যান গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। দারুণভাবে নাহুয়েল মলিনা এবং দি পলকে ড্রিবল করলেও বক্সের কাছাকাছি গিয়ে আর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি।

প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে ২২টি ফাউল করেছে দুই দল। যেখানে ব্রাজিলের ১৬টি ফাউলের বিপরীতে আর্জেন্টিনার ফাউল ছিল ৬টি।

বিরতির পরও আর্জেন্টিনার অর্ধে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখে ব্রাজিল। একাধিকবার আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরিরও চেষ্টা করেছে তারা। যদিও রক্ষণদেয়াল ভাঙতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে মার্তিনেল্লির প্রচেষ্টা মার্তিনেজ দারুণভাবে ঠেকিয়ে না দিলে ম্যাচের প্রথম গোলটি পেয়েই গিয়েছিল ব্রাজিল। উল্টো খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। জিওভানি লো সেলসোর কর্নারে হেড দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন নিকোলাস ওতামেন্দি।

ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে নিষ্প্রভ মেসিকে তুলে নিয়ে আনহেল দি মারিয়াকে নামায় আর্জেন্টিনা। ৮১ মিনিটে ব্রাজিলের বিপদ আরও বাড়ে জেয়েলিংটন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে। ১০ জনের ব্রাজিল শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইয়ে টানা চার জয়ের পর আগের ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। তবে আজ ব্রাজিলকে হারিয়ে জয়ে ফেরা লিওনেল স্কালোনির দল ছয় ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থান মজবুত করল আরও।

কিন্তু দুঃসময় আরো বাড়ল ব্রাজিলের। টানা তৃতীয় হারের তেতো স্বাদ পাওয়া ফের্নান্দো জিনিসের দল নেমে গেল ষষ্ঠ স্থানে। রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য বাছাইয়ের পথচলা কঠিন হয়ে গেল।




ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ২৪-২৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ডিআইইউ জব উৎসব ২০২৩

পরিক্রমা ডেস্ক : উচ্চ শিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল দক্ষ ও যোগ্য মানব সম্পদ তৈরির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা। এই লক্ষ্য নিয়েই ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আগামী ২৪ থেকে ২৫ নভেম্বর ২০২৩ ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি, আশুলিয়ায় দ্বিতীয় বারের মত আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম বড় জব উৎসব ডিআইইউ জব উৎসব ২০২৩। দু’দিন ব্যাপি এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরুল্লাহ ।

জব উৎসবে ২০০টি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকর্তারা প্রায় ৩০০০ চাকরি এবং প্রায় ১০০০টি ইন্টার্নশিপ অফার নিয়ে উপস্থিত থাকবেন। দু’দিনের এই জব উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চুড়ান্ত বর্ষের কিংবা সম্প্রতি গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করা কমপক্ষে ৪২০০ চাকুরি প্রত্যাশি অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও এই জব উৎসবে থাকবে ২০৪০০ শিক্ষার্থীর স্ব মূল্যায়ন প্রশিক্ষণ, অন-ক্যাম্পাস জব, ইন্টার্ণশীপ, চাকুরি পরিবর্তন, কর্মসংস্থানের দক্ষতা পরীক্ষা এবং আ্যালামনাই ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ।

আজ ২০ নভেম্বর রাজধানীর ধানমিন্ডতে ড্যাফোডিল টাওয়ারের ৭১ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার ডেভেলাপমেন্ট সেন্টারের উপদেষ্টা ও ড্যাফোডিল ফ্যামিলির গ্রুপ সিইও ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড সৈয়দ আকতার হোসেন, বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাবৃত্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ মাসুম ইকবাল, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগরে প্রধান আফতাব হোসেন ও ক্যারিয়ার ডেভেলাপমেন্ট সেন্টারের পরিচালক ড. তানভীর ফিত্তিন আবীর ।

বিগত বছরের ইভেন্টের দুর্দান্ত সাফল্যের উপর ভিত্তি করে, এ বছরের জব উৎসবের জন্য শীর্ষ সংস্থা এবং মেধাবী ছাত্রদের আরও বেশি চিত্তাকর্ষক সমাবেশের জন্য প্রস্ততি নেয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।




স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এতো অনিহা কেন!!!

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনানুযায়ী প্রতিষ্ঠার ৭ বছরের মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-কে স্থায়ী ক্যাম্পাসে সিফট করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। নিয়মের প্রতিপালন না-হলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধসহ সাময়িক অনুমোদন বাতিল করার ক্ষমতা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের রয়েছে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে আশা ইউনিভার্সিটি এবং স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ক্যাম্পাসে সিফট করার ক্ষেত্রে ১ থেকে দেড় বছরের সময় চেয়ে ইউজিসি বরাবর আবেদন করে। সেমোতাবেক স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে বিশ্ববিদ্যালয় ২টির হাতে আছে আর মাত্র ৪০ দিন। সর্বশেষ পরিস্থিতি হলো, আশা ইউনিভার্সিটি আংশিক ভাবে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে। আর স্ট্যামফোর্ডের ক্ষেতে পরিস্থিতির কোন উন্নতি নাই। বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনো অস্থায়ী ক্যাম্পাসেই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বলছে তারা আগামী বছরের শুরুর দিকে পুরোপুরি ভাবে স্থায়ী ক্যাম্পাসে চলে যেতে পারবে। এতদবিষয়ে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য নাই। এদিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মেরুল বাড্ডাস্থ দৃষ্টিনন্দন স্থায়ী ক্যাম্পাসে সিফট করার তোড়জোড় চলছে বলে শুনা যাচ্ছে। বেশ কিছুদিন আগে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী নির্মাণ করা হলেও অজ্ঞাত কারণে সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয় নাই। কারণ প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বার্থান্বেষী গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে সিফট করায় বাঁধা দিয়ে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। শুনা যাচ্ছে তারা এখনো সক্রিয়। ৬.২৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত ক্যাম্পাসটিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর কথা ছিল ২০২০ সালের শুরুর দিকে। অথচ এখন ২০২৪ সাল শুরু হলো বলে। মজার বিষয় হলো, শিক্ষা বান্ধব নয় এমন অপরিসর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করেও বিশ্ববিদ্যালয়টি যুক্তরাজ্য ভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশনের ২০২৪ সালের জন্য নির্মিত শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। কি জাদুর বলে এটা সম্ভব হলো তার উত্তর পাওয়া যায় নাই। শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো তালিকায় “স্থায়ী ক্যাম্পাস”-এ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা একটি অত্যাবশ্যক শর্ত হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া জরুরী।

ইউজিসি’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কোন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে সিফট করতে ব্যর্থ হলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি বন্ধ করা ছাড়াই সাময়িক অনুমোদনও বাতিল করা হতে পারে।




চাঁদপুর-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র কিনলেন মায়া চৌধুরী

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সাবেক দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। রোববার (১৯ নভেম্বর) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রির দ্বিতীয় দিনে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তিনি। এই দিন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পক্ষে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপু। এসময় তার সাথে ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার দৌহিত্র ও সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দিপুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি আশফাক চৌধুরী মাহী, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার, যুগ্ম সম্পাদক আইয়ুব আলী গাজী, ছেংগারচর পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান মামুন প্রমুখ। এসময় মতলব উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ১৯৬৫ সালে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৯৬ ও ২০১৪ সালে চাঁদপুর-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন, পরবর্তীতে ১৯৯৮-২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এবং ২০১৪-২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। তার আগে তিনি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন।




কামরুল হাসান রিপনের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াতের হরতালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান

পরিক্রমা ডেস্ক :ঢাকা-০৫ আসনে ১৯ই নভেম্বর রোজ রবিবার সকাল ১০টায় যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-০৫ আসনের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিএনপি-জামাতের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৯

নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মান্নান, ডেমরা থানা ছাএলীগের সাবেক সভাপতি সিফাত সাদেকীন চপল, কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শারমিন রহমান কাকলি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ আহমেদ, দনিয়া কলেজ ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি শেখ মনিরুল আলম, ৫০নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি আলো, সাধারণ সম্পাদক ইমন, ৬০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ওয়াসি উদ্দিন নূরানী, ৬০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাসুদ রানা, ৬১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী বদরউদ্দীন ছানা, ৬১ নং ওয়ার্ড, রসুলপুর ইউনিট সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল আহসান চঞ্চল,দনিয়া কলেজ ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি ভাস্কর দে, দনিয়া কলেজ ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তানবির,ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ খান, একে স্কুল ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মল্লিক, ৫০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন, ৬১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নাছির হোসেন,৬৬ নং ওয়ার্ড ডগাইর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ৬২নং ওয়ার্ড গোবিন্দপুর ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব হাসান শ্যামল, ডেমরা থানা তাঁতী লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম সজিব, ৬৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মিয়া, ৯ নং ওয়ার্ড সারুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজু সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার ও নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।




ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া

পরিক্রমা ডেস্ক : ওয়ানডে বিশ্বকাপের ত্রয়োদশ আসরের ফাইনালে আজ মাঠে নামছে স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারতের সামনে তৃতীয় শিরোপার হাতছানি। অন্যদিকে ষষ্ঠ শিরোপার জন্য লড়াইয়ে নামবে অজিরা।

হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া।