Home ক্যাম্পাস খবর প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা

3
0
SHARE

শিক্ষার্থীদের মহাবিশ্বের রহস্য ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘এক্সপ্লোরিং দ্য কসমস: অ্যাস্ট্রো টক অ্যান্ড স্টার অবজারভেশন’ শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে তৈরি করা এবং মহাকাশ সম্পর্কে তাদের কৌতূহল বাড়ানো।

অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম পর্বে বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে শুরু হয় আকাশ পর্যবেক্ষণ। এ সময় শিক্ষার্থীরা শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ, গ্রহ ও দূরের নক্ষত্র দেখার সুযোগ পান।

আয়োজনের মূল বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারসেম এম মোহাম্মেদি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কুতুব উদ্দিন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির। সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম খান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি তার বক্তব্যে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি মৌলিক বিজ্ঞান ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া জ্যোতির্বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে ‘অ্যাস্ট্রো স্কুল’ প্রকল্পের মাধ্যমে এনওসি-বিডি টিমের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আনোয়ারুল কবির বলেন, পাঠ্যবইয়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিনির্ভর চিন্তা গড়ে তোলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম খান জানান, জ্যোতির্বিজ্ঞান বিজ্ঞান ও দর্শনের মিলনস্থল, যা শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তুলবে। অধ্যাপক ফারসিম মান্নান মোহাম্মদি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মানুষের চিরন্তন কৌতূহল থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্ম হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি যৌথভাবে সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল ও অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স। এ কাজে সহযোগিতা করে এনওসি-বিডি ও আইএইউ-ওএও। এছাড়া আকাশ পর্যবেক্ষণে সহায়তা করেছে মাইকবি সায়েন্টিফিক।

image_pdfimage_print