
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেছেন, বাংলাদেশকে নিয়ে, বাংলাদেশের উন্নয়নকে নিয়ে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারাই ষড়যন্ত্র করবে শেখ ফজলে শামস্ পরশের নেতৃত্বে সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিবে যুবলীগ। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রবিবার (১০ জানুয়ারি) ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দোয়া মাহফিল, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করে যুবলীগ।
তিনি বলেন, ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পথপরিক্রমায় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাঙালি জাতি। জাতিকে মুক্তির মহামন্ত্রে উজ্জীবিত করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে নিয়ে যান বঙ্গবন্ধু।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু ২৯০দিন পাকিস্তানের কারাগারে প্রতি মূহুর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনতে গুনতে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি মুক্তি পান। মুক্তি পেয়ে লন্ডনের হিথ্রো বিমান বন্দর থেকে দিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলার মাটিতে পা রাখেন বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
নিখিল বলেন, সদ্য স্বাধীন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের কিছুই ছিল না। সব ওই ফেরাউনের দলেরা শেষ করে দিয়ে গিয়েছিল। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে একটি সুন্দর কাঠামোর উপর দাঁড় করান জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রশাসনের এমন কোনো সেক্টর নেই যেখানে তিনি তাঁর মেধা ও প্রজ্ঞা স্বাক্ষর রাখেননি। তাঁরই দেখানো পথে, তাঁরই অসমাপ্ত কাজ স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশীদ, মঞ্জুর আলম শাহীন, শেখ ফজলে ফাহিম, এনামুল হক খান, তাজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাজহারুল ইসলাম, সাইফুর রহমান সোহাগ, শামীম আল সাইফুল সোহাগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, গ্রন্থণা ও প্রকাশনা সম্পাদক জহুরুল ইসলাম মিল্টন, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান রাজীব, তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি) সম্পাদক সামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মোস্তাফিজ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারিছ মিয়া শেখ সাগর, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাই, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান সরদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মুক্তা আক্তার, উপ-প্রচার সম্পাদক আদিত্য নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ (আইটি) সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বি স্মরণ, উপ-শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক ফিরোজ আল আমিন, উপ-কৃষি ও সমবায় সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপ-ধর্ম সম্পাদক হরে কৃষ্ণা বৈদ্য, সহ-সম্পাদক বেল্লাল হোসেন ফিরোজ, তোফাজ্জল হোসেন, আতাউর রহমান উজ্জল, মামুন আজাদ, মির্জা নাসিউল আলম শুভ্র, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহিম, মাইদুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন খান, আলামিনুল হক আলামিন, জামিল আহমেদ, আব্দুর রহমান জীবন, সামিউল আমিন, কামরুল হাসান লিংকন, বাবলুর রহমান বাবলু, এ কে এম মুক্তাদির রহমান শিমুল, হিমেলুর রহমান হিমেল, আহতাসামুল হাসান ভূইয়া রুমি, রাশেদুল ইসলাম সাফিন, আবু রায়হান রুবেল, মনিরুজ্জামান পিন্টু, মনিরুল ইসলাম আকাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য নাজমুল হুদা নাহিদ, সরদার মোহাম্মদ আলী মিন্টু, গোলাম কিবরিয়া, আরশেদ আলী আশিক, আবুল কালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম লাকী, জিএম গাফফার হোসেন, কাজী বশির আহমেদ, রাজু আহমেদ ভিপি মিরান, মজিবুর রহমান, মুক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল, শওকত হায়াত, আবু সাঈদ, আসাদ উল্লাহ তুষার, মানিক লাল ঘোষ, মোবাশ্বের হোসেন স্বরাজ, নূর হোসেন সৈকত, মুজিবুর রহমান মুজিব, তারিক আল মামুন, এ বি এম আরিফ হোসেন, আওরঙ্গজেব, সাজেদুর রহমান বিপ্লব, বিকাশ চন্দ্র হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম উজ্জল, রায়হান সরকার রিজভী, সদস্য আব্দুল হাকীম তানভীর, আব্দুল্লাহ রানা প্রমুখ।