Home ক্যাম্পাস খবর পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে রিসার্চ কাউন্সিল হচ্ছে: মাহদী আমিন

পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে রিসার্চ কাউন্সিল হচ্ছে: মাহদী আমিন

SHARE

দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে রিসার্চ কাউন্সিল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানী বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে তিনি এ কথা জানান। 

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকে আমরা যে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নিয়ে কথা বলছি, এই পথযাত্রা কিন্তু শুরু হয়েছিল বিএনপি সরকারের সময়। আমরা সবাই জানি, যখন বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন তাঁর হাত ধরেই নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং পরবর্তীতে অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়। সুতরাং বিএনপি সরকারের স্বাভাবিকভাবেই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির প্রতি একটি সফট কর্নার রয়েছে, পলিসি সাপোর্ট রয়েছে—এটা খুবই স্বাভাবিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘যখন ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় ভ্যাট আরোপ করা হয়েছিল, তখন আমাদের দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছিল, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের ভ্যাট থাকা উচিত নয়। আমরা এখনো সেই অবস্থানে আছি। আমরা দেখেছি গণ-অভ্যুত্থানের সময় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও ফ্যাকাল্টি সদস্যরা অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। আজকের যে বাংলাদেশ সেখানে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির একটা আন্ডারএস্টিমেট বা অবমূল্যায়িত ভূমিকা রয়েছে।’

পাবলিক-প্রাইভেট একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মেধাভিত্তিক, বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সুষম বণ্টন দরকার। পলিসি মেকিংয়ের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেছেন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে সমানভাবে দেখার চেষ্টা করতে হবে। পৃথিবীর কোনো শিক্ষা ব্যবস্থায় সব প্রতিষ্ঠান এক ক্যাটাগরিতে থাকে না। আমাদের দেশেও কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কোয়ালিটির উল্লেখযোগ্য উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের ভূমিকা আরও জোরদার করতে হবে, যাতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বা কোয়ালিটি বেঞ্চমার্ক তৈরি করা যায় ‘

সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি জানান, ‘আমাদের একটি বড় লক্ষ্য—ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন তৈরি করা, যা দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত। ঢাকায় অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাবলিক অফিস, ইন্ডাস্ট্রি, ফ্যাক্টরি—সবই আছে; কিন্তু তাদের মধ্যে কার্যকর কোনো সংযোগ নেই।’

ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় নিয়ে তিনি জানান, ‘ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় হাইটেক পার্ক, ইকোনমিক জোন, ইপিজেড রয়েছে কিন্তু এগুলো আন্ডারইউটিলাইজড। অনেক ক্ষেত্রে এক কিলোমিটারের মধ্যেই ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও কোনো লিংকেজ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একাডেমিক প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় থাকে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা আইসিটি ডিভিশন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করছি,কিভাবে ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারগুলোর সাথে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করা যায়।’

image_pdfimage_print