জাতীয়

    Home জাতীয়

    রাজশাহীতে শব্দদূষণের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    0

    কাগজ প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ
    রাজশাহীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের আয়োজনে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘শব্দদূষণের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার (অপারেশন) মো. মনিরুল ইসলাম, আরএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হেলেনা আকতার, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এর কার্যালয় রাজশাহী’র উপ-পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, পরিবেশ অধিদফতর রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহমুদা পারভীন।
    সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্পের ট্রেনিং এন্ড ক্যাম্পেইন স্পেশালিস্ট গাজী মহিবুর রহমান।
    এছাড়া, মুক্ত আলোচনায় অংশ গ্ৰহণ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইএনটি বিভাগের প্রধান ডা. আসাদুর রহমান, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম। আরও উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদফতর রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন দফতরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, শব্দদূষণ একটি নিরব ঘাতক অথচ এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা নেয়া অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শব্দ দূষণের সাথে সম্পৃক্ত। অহেতুক শব্দ মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির বড় কারণ। তাই এ দূষণ রোধে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। তাই নিজ-নিজ অবস্থান থেকে শব্দদূষণ রোধে তিনি সকলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

     

    পাট পণ্যের বিশ্ব বাজার আমাদের দখলে থাকবে … বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী নানক

    0

     

    ফরিদপুর, ৮ জুন ২০২৪:

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় পাট পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। আমাদের উদ্যেক্তারা পাট পণ্য রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হস্তশিল্প মেলায় আমাদের পাট পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রচুর ক্রয় আদেশ পাওয়া যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে পাট পণ্যের বিশ্ব বাজার আমাদের দখলে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, গত পরশু জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপনের প্রাক্কালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভ্যানিটি ব্যাগ সাথে নিয়েছেন তা পাটের তৈরি। সেদিন তিনি যে শাড়ি পড়েছেন তা পাটের তৈরি। গত সপ্তাহে জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পাটের কলি থেকে ‘জুট টি’ তৈরি করতে হবে। কাজেই তিনি পাট ও পাট জাত পণ্যকে কতটা গুরুত্ব দেন তা বোঝা যায়। তিনি পোশাক শিল্পকেও এভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন যেটি এখন আমাদের প্রধান রপ্তানি খাত।

    পাট জাগ দেয়া সমস্যার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পাট জাগ দেয়ার জন্য অনেক এলাকায় পানি ও পুকুর সহজপ্রাপ্য নয়। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি ছোট একটা জায়গায় পাট জাগ দেয়া যায় কিনা বা ক্যামিক্যাল ব্যবহার করে সহজে পাট ব্যবহার উপযোগী করা যায় কিনা।

    পাট চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে তিনি উঠান বৈঠক আয়োজন করতে এবং তাতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ করার আহবান জানান।

    মন্ত্রী বলেন, পাটের বীজ আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে। সার, কীটনাশক ও ভালো বীজের জোগান দিতে হবে। ধান, চাল, গমের জন্য পাটের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে। তিনি পাট বীজ উৎপাদন বৃদ্ধির আহবান জানিয়ে বলেন, ফরিদপুর অঞ্চল যেহেতু পাট উৎপাদনে সমৃদ্ধ সেহেতু পাটবীজ উৎপাদনেও এখানকার পাট চাষীদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। এজন্য আপনাদের সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

    তিনি আজ ফরিদপুরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি অডিটোরিয়ামে পাট চাষী, মিল মালিক, ব্যবসায়ী এবং পাটখাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পাট অধিদপ্তর এ মত বিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুর রহমান সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মানিত অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, পাট একটি চ্যালেঞ্জিং সেক্টর। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই পাট শিল্পকে সমৃদ্ধ করার জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, পাট শিল্পকে বহুমুখী উৎপাদনের আওতায় আনতে হবে। পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়লে সরবরাহ করার প্রবনতা বাড়বে। আর চাহিদা বাড়ানোর জন্য পাটের বহুমুখী ব্যবহারের দিকে জোর দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, চাষীরা তখনই পাট চাষের উৎসাহ পাবে যখন তারা ভালো বীজ পাবে, সঠিকভাবে পাট জাগ দিতে পারবে এবং তাদের উৎপাদিত পাটের নিরাপদ বাজারজাত করতে পারবে ও ন্যায্য দাম পাবে। তিনি পানি ছাড়াই পাটের আঁশ ছাড়ানোর কোনো পদ্ধতি উদ্ভাবন করা যায় কিনা তা ভেবে দেখার আহবান জানান। এছাড়া পাট জাগ দেয়ার বিষয়ে পানি সংকট দূর করার জন্য তিনি আন্তঃ মন্ত্রণালয় সভা করে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ প্রদান করেন।

    আলোচনায় অংশ নিয়ে পাট চাষী, ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা বলেন, পাট গাছের জন্য কার্যকর কীটনাশক দরকার। পাট জাগ দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। পলিথিনের বিকল্প সহজলভ্য করতে হবে। পাটের বস্তা, ব্যাগ ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। পাট চাষীদের প্রণোদনা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

    ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ঝর্না হাসান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রউফ, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা, ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ ইশতিয়াক আরিফ প্রমুখ। এছাড়াও চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, জুট মিল মালিক প্রতিনিধি, পাট চাষীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত
    বহুমুখী পাট পণ্য মেলার উদ্বোধন করেন।

    “নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে সিরডাপ প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্নপূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবো” – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    0

     

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সমন্বিত পল্লী উন্নয়ন কেন্দ্র (সিরাডাপ) এর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচন করা৷ বিভিন্ন গবেষণা এবং প্রশিক্ষণে মাধ্যমে এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পল্লীর জনগণের আর্থিক উন্নয়ন এবং আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে ৪৫ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করেছিল৷ কিন্তু, আমার মনে হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণে খুব বেশি সফলতা অর্জন করতে পারেনি৷ সিরডাপ প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্নপূরণে খুব বেশি অবদানও রাখতে পারেনি৷ তাই, নবনির্বাচিত সভাপতি হিসেবে সিরডাপ প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্বসূরিদের স্বপ্নপূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবো।

    আজ (শনিবার) সকালে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি (আর.এফ.ই.ডি) কর্তৃক আয়োজিত স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে চ্যালেঞ্জ ও নির্বাচনে দলীয় প্রতিকের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার শুরুতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী একথা বলেন। গত ৪-৬ জুন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত সিরডাপের ২৪তম সভায় ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি’কে পরর্বতী দুইবছরের জন্য সংস্থাটির গভর্নিং কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়৷ একইসাথে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন সদস্য রাষ্ট্র ফিজি’র পল্লী ও সমুদ্র উন্নয়ন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী সাকিয়াসি রাইসেভু দিতোকা এবং মহাপরিচালক নির্বাচিত হন সদস্য রাষ্ট্র ভারতের ড. পি. চন্দ্র শেখর।

    স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণে চ্যালেঞ্জ এবং নির্বাচনে দলীয় প্রতিকের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণের বিকল্প নেই। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণ বিষয়ে কারও দ্বিমতেরও সুযোগ নেই। কিন্তু মতভেদটা হচ্ছে মূলত আইন সংশোধন নিয়ে৷ আইন মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সংশোধন হয়৷ পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোতেও তাই হয়েছে। সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রেখে আইন সংশোধন হচ্ছে৷ আর, মতপার্থক্য যা হচ্ছে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ।

    তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় মতামত প্রদানের অধিকার থাকবেই। এখানে যেমন ভাল কাজের প্রশংসা করার সুযোগ থাকে, মন্দ কাজের সমালোচনা করারও সুযোগ থাকে৷ মাঝে মাঝে আমার ভাল কাজেরও সমালোচনা করা হয়। এক্ষেত্রে এই সমালোচনা আমাকে আরও উদ্যোমী হতে সাহায্য করে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক ব্যবহারের সমালোচনা যেমন হয়েছিলো, প্রতীক ব্যবহার না করার ক্ষেত্রেও মতভেদ আছে৷ সময়ের সাথে সঙ্গতি রেখেই এই স্বিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷

    ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-০৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগে. জে. (অবঃ) শাখাওয়াত হোসেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম, সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মুখ্য পরিচালক ড. আব্দুল আলীম৷ সেমিনারটিতে সভাপতিত্ব করেন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি এর চেয়ারম্যান একরামুল হক সায়েম।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনাকে ডিএসই’র অভিনন্দন

    0

    ৬ জুন ২০২৪ তারিখে “টেকসই উন্নয়নের পরিক্রমায় স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাএা” শিরোনামে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্রকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও প্রান্তিক মানুষের সুযোগ সুবিধা বাড়ানো অগ্রাধিকারসহ সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ অঙ্গীকারে মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এমপি মহান জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন, তার জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষে চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছে৷ এ বাজেট হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৩তম বাজেট ও অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এমপি’র প্রথম বাজেট ঘোষণা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদের প্রথম বাজেট৷

    ডিএসই মনে করে যে, উন্নয়ন ও উত্পাদনমূখী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করার কৌশল নিয়ে বাজেট প্রনয়ণ করা হয়েছে৷ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ, উন্নয়ন ও উত্পাদনমূখী যে পরিকল্পিত কর্মপন্থা ও ব্যবস্থাপনা কৌশল বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে, সে জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু বাজেট প্রস্তাবনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছে৷

    মোঃ শফিকুর রহমান

    ডিএসই

    বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    0
    ঘরের মাঠে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু কাপ ২০২৪ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। সেই মিশনে সফল হয়েছে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। নেপালকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা ৪৫-৩১ পয়েন্টে নেপালকে হারিয়ে টানা চতুর্থ বার অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো। ২০২১ সালে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টের সব কটি শিরোপাই নিজেদের কাছে রাখল লাল–সবুজের প্রতিনিধিরা।
    দারুণ ক্রীড়াশৈলী দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তারকা রেইডার আরদুজ্জামান মুন্সি।টুর্নামেন্টের বেস্ট রেইডার পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশ দলের রেইডার মিজানুর রহমান। বেস্ট ক্যাচারের পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশ দলের ক্যাচার রুমান হোসেন। টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন নেপালের ঘনশ্যাম রোকা মাগার।
    ফাইনাল উপলক্ষে ইনডোর স্টেডিয়াম পরিপূর্ণ ছিল আজ। বাংলাদেশের রেইডের সময় দর্শকরা ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ আবার নেপালের রেইডের সময়ও গলা ফাটিয়ে উজ্জীবিত করেছে স্বাগতিকদের। শিরোপা জয়ের পর পতাকা নিয়ে খেলোয়াড়েরা উল্লাস করেছে, দর্শকরাও দাঁড়িয়ে তাদের অভিবাদন দিয়েছে।
    এর আগে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৬৭-২২ পয়েন্টে হারিয়ে প্রতিযোগিতা শুরুর পর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৭৩-২২ পয়েন্টে ও ইন্দোনেশিয়ার ৫৯-১৯ পয়েন্টে জিতেছিলেন আরদুজ্জামান-জিয়ারা।
    নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে পোল্যান্ডকে ৭৯-২৮ পয়েন্টে হারিয়ে সেমি-ফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। আর নেপালকে ৪৬-৩১ পয়েন্টে হারিয়ে টানা পাঁচ জয়ে গ্রুপ সেরা হয় বাংলাদেশ। সেমিফাইনাল ম্যাচে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা ৪১-১৮ পয়েন্টে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে।
    বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিপিএম (বার), পিপিএম এবং ডিএমপি কমিশনার ও বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) উপস্থিত ছিলেন।
    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। করোনা মহামারীর কারণে সে সময় নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, পোল্যান্ড ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশ অংশগ্রহণ করে।
    ২০২২ সালে দ্বিতীয় আসরে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কেনিয়া, ইংল্যান্ড, ইরাক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও স্বাগতিক বাংলাদেশসহ আটটি দেশ অংশগ্রহণ করে। ২০২৩ সালে তৃতীয় আসরে অংশগ্রহণ করেছিল রেকর্ড ১২টি দেশ। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে টুর্নামেন্টের ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশেও। টুর্নামেন্টের মূল আকর্ষণ ছিল ফুটবলের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাবাডি দল। তৃতীয় আসরে অংশ নেওয়া দেশগুলো ছিল আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড, কেনিয়া, ইরাক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চাইনিজ তাইপে, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।
    আন্তর্জাতিক আঙিনায় সারা জাগানিয়া এ টুর্নামেন্ট এখন আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের বর্ষপঞ্জিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। বাংলাদেশের এ আসরটি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। গত তিনটি আসর শহীদ নূর হোসেন ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলেও এবার নতুন ভেন্যু হিসেবে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
    গেল তিনটি আসরের হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। এবারও শিরোপায় চোখ রেখে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে স্বাগতিকরা। প্রথম আসরে কেনিয়াকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখায় বাংলাদেশ। এরপর ২০২২ সালেও সেই কেনিয়াকে ফাইনালে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিকরা। ২০২৩ আসরে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তোলে বাংলাদেশ।
    গত রবিবার (২৬ মে ২০২৪) স্বাগতিক বাংলাদেশ-কোরিয়া ম্যাচের মধ্য দিয়ে জমকালো আয়োজনে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের পর্দা ওঠে।

    জনগণের অর্থের সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করতে সিএজি’কে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ

    0

    জনগণের প্রতিটি টাকা যাতে স্বচ্ছ ও সঠিকভাবে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
    বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আজ দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক নিরীক্ষা ও হিসাব প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
    বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, সরকারি তহবিল ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। প্রতিবছরই বাড়ছে বাজেটের আকার ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির কলেবর।
    তিনি বলেন, এর ফলে সরকারি ব্যয়ও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।
    জনগণের টাকা যাতে স্বচ্ছ ভাবে ব্যয় হয় সে ক্ষেত্রে অডিট খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সকল অডিট আপত্তি নিষ্পত্তিসহ সকল ধরনের অডিট হালনাগাদ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ও তাগিদ দেন। বৈঠকে রাষ্ট্রপতিকে সিএজি রিপোর্টের সার্বিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
    সিএজি তাঁকে ৪৫টি কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্ট, দু’টি উপযোজন হিসাব রিপোর্ট এবং দ’ুটি আর্থিক হিসাব রিপোর্ট  সম্পর্কে ও জানান।
    এছাড়াও, সিএজি সরকারি কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রদানের ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
    এসময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টগণও উপস্থিত ছিলেন।

    নবীন ফায়ারফাইটার সদস্যদের শৃঙ্খলার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    0

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নবীন ফায়ারফাইটার সদস্যদের শৃঙ্খলার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
    আজ ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং কমপ্লেক্সে ৬৩তম ব্যাচের ফায়ারফাইটার, প্রথম ব্যাচের মহিলা ফায়ারফাইটার ও ৫৩তম ব্যাচের ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
    অনুষ্ঠানে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বিশেষ অতিথি ছিলেন। এ সময় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন, পরিচালকগণসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষ, নবীন ফায়ারফাইটারদের অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিসের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩’ অর্জন এবং আজীবন রেশন বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সাফল্যের সাথে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করায় তিনি নীবন ফায়ারফাইটার ও ড্রাইভারদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
    তিনি বলেন, ‘সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে আপনাদের শৃঙ্খলার সাথে মানুষের জান-মাল রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রশিক্ষণকালে আপনারা নিজেদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে যোগ্য করে গড়ে তুলেছেন। এখন নিজ নিজ কর্মস্থলে অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে।’
    মন্ত্রী বলেন, দেশের কাক্সিক্ষত উন্নয়নের জন্য নারী-পুরুষের যৌথ অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। আগুন নেভানোর মতো চ্যালেঞ্জিং পেশায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা ‘ফায়ারম্যান’ পদের নাম ‘ফায়ারফাইটার’ করেছি। এর পরপরই প্রথমবারের মতো ফায়ার সার্ভিসে ১৫ জনকে নারীকে ফায়ারফাইটার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে আপনারাও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখবেন।
    প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন ফিজিক্যাল ইনস্ট্রাাক্টর সেন্টু চন্দ্র সেন। অনুষ্ঠানের ধারা বর্ণনা করেন উপসহকারী পরিচালক মো. শাহজাহান শিকদার, সিনিয়র স্টেশন অফিসার রায়হানুল আশরাফ ও ডা. মোস্তফা আব্দুর রহিম ও স্টেশন অফিসার আসাদুজ্জামান।
    উল্লেখ্য, একই সময় রংপুর বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও রাজশাহী বিভাগেও প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার ২১০ জন ফায়ারফাইটার, ১৫ জন মহিলা ফায়ারফাইটারসহ সব মিলিয়ে মোট ৪৫১ জন ফায়ারফাইটার ও ৮৪ জন ড্রাইভার সাফল্যের সাথে প্রশিক্ষণ শেষ করে কর্মস্থলে যোগদান করতে যাচ্ছেন।

     

    যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার

    0

    পরিক্রমা ডেস্ক : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার। তিনি যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ।

    বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ আদেশ জারি করে। এতে স্বাক্ষর করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমিন।

    গত ১২ মে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব অবসরে যান। মর্জিনা আক্তার তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন।

    উল্লেখ্য, অধ্যাপক মর্জিনা আক্তার যশোর সরকারি মহিলা কলেজে অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ছিলেন। সেখান থেকে ২০২১ সালের ২৯ নভেম্বর যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয়ে উপাধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন হয়ে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন তিনি।

    র‌্যাবের নতুন ডিজি হলেন মো. হারুন অর রশিদ

    0

    পরিক্রমা ডেস্ক : বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ানের (র‌্যাব) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বুধবার তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মো. মাহাবুবুর রহমান শেখ। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ আগামী ৫ জুন থেকে কার্যকর হবে।

    মো. হারুন অর রশিদ র‌্যাবের বর্তমান ডিজি এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।

    আবারো মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশ

    0

    পরিক্রমা ডেস্ক : ১১ বছর পর পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী। রবিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিট) এভারেস্টের চূড়ায় উঠে সেখানে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান তিনি। বেসক্যাম্প টিমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।

    তবে বাবর আলীর অভিযানের শেষ এখানেই নয়। বাবরের লক্ষ্য- সঙ্গে লাগোয়া পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে। রোববার ক্যাম্প-৪ এ নেমে মাঝরাতে আবারও শুরু করবেন দ্বিতীয় লক্ষ্যের পথে যাত্রা। সব অনুকূলে থাকলে ভোরে পৌঁছতে পারেন এর চূড়ায়। এ লোৎসেতে এর আগে কোনো বাংলাদেশি সামিট করেননি। কোনো বাংলাদেশি একই অভিযানে দু’টি আট হাজারি শৃঙ্গেও চড়েননি। তাই লক্ষ্য পূরণ হলে বাবার আলী নতুন রেকর্ড গড়বেন।

    নেপাল-তিব্বত সীমান্তে অবস্থিত ২৯ হাজার ২৮ ফুট উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্টে অভিযান নিঃসন্দেহে দুরূহ একটা কাজ। একই অভিযানে ২৭ হাজার ৯৪০ ফুট উচ্চতার মাউন্ট লোৎসে আরোহণের প্রচেষ্টাকে করেছে আরও চ্যালেঞ্জিং। উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে বাবর আলীর পর্বতারোহণে পথচলা শুরু। চট্টগ্রামের পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তিনি। এ ক্লাবের হয়েই গত দশ বছরে হিমালয়ের নানান শিখরে অভিযান করেছেন তিনি।

    তিনি ২০১৭ সালে ভারতের উত্তরকাশীর নেহেরু ইন্সটিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন।

    image_pdfimage_print
    0FansLike
    0FollowersFollow
    0SubscribersSubscribe